📌 খুলনার সুন্দরবন পেরিফেরি এলাকায় ১৫টি পরিবেশবান্ধব রিসোর্টে ১৫৩ জন কর্মরত, এর মধ্যে ১৩৫ জন স্থানীয়। প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘ অনুমোদন প্রক্রিয়া বিনিয়োগের বিপদ সৃষ্টি করছে। উদ্যোক্তারা প্রধানমন্ত্রীকে ৪টি দাবি তুলে ধরেছেন: সুস্পষ্ট গাইডলাইন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস, দফতর সমন্বয় ও বিনিয়োগ পর্যালোচনা
খুলনার সুন্দরবন পেরিফেরি এলাকায় পরিবেশবান্ধব ইকো-ট্যুরিজমের বিকাশে বিনিয়োগকারী উদ্যোক্তারা প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘ অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। তারা প্রধানমন্ত্রীকে ৯ অক্টোবর একটি খোলা চিঠি পাঠিয়ে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই পর্যটন খাতের বিকাশের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৫টি পরিবেশবান্ধব রিসোর্টে** খুলনার সুন্দরবন পেরিফেরি এলাকায় বর্তমানে **১৫৩ জন কর্মরত**, এর মধ্যে **১৩৫ জন স্থানীয় অধিবাসী**।
- 📌 **৫৮টি ক্ষুদ্র ব্যবসা** (বোট সার্ভিস, দোকান, পরিবহন, খাদ্য সরবরাহ) সৃষ্টি হয়েছে, যার ওপর **৭ হাজার ৩০০ মানুষের** জীবিকা নির্ভরশীল।
- 📌 **১৭ কিলোমিটার** দীর্ঘ এলাকায় অবস্থিত এই রিসোর্টগুলোতে **প্রশাসনিক জটিলতা ও দফতর সমন্বয়হীনতা** বিনিয়োগের বিপদ সৃষ্টি করছে।
- 📌 **জাকারিয়া হোসাইন শাওন** (জংলবাড়ি ম্যানগ্রোভ রিসোর্টের পরিচালক) স্বাক্ষরিত খোলা চিঠিতে **৪টি মূল দাবি** তুলে ধরেছেন:
- 📌 ১. সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় টেকসই ইকো-ট্যুরিজমের জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন।
- 📌 ২. অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করা।
- 📌 ৩. সরকারি দফতরগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা।
- 📌 ৪. বিদ্যমান বিনিয়োগগুলোর আইনসম্মত পর্যালোচনার জন্য নির্দেশনা।
📰 বিস্তারিত
‘রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন’-এর সেক্রেটারি জাকারিয়া হোসাইন শাওন স্বাক্ষরিত খোলা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে পরিবেশবান্ধব টেকসই ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘ অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্যোক্তারা প্রধানমন্ত্রীকে সুন্দরবন সংলগ্ন রিসোর্টগুলো পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছেন, মাঠের বাস্তবতা ও নীতিমালার ব্যবধান দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনার দাকোপ ও কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের এলাকায় **১৫টি পরিবেশবান্ধব রিসোর্ট** গড়ে উঠেছে। এসব রিসোর্টে কর্মরত **১৫৩ জনের মধ্যে ১৩৫ জন স্থানীয় অধিবাসী**। এছাড়াও, পর্যটন খাতের বিকাশের ফলে **৫৮টি ক্ষুদ্র ব্যবসা** সৃষ্টি হয়েছে, যার ওপর **৭ হাজার ৩০০ মানুষের** জীবিকা নির্ভরশীল। তবে, প্রশাসনিক জটিলতা ও দফতর সমন্বয়হীনতার কারণে এই সম্ভাবনাময় খাতের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
উদ্যোক্তারা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, তারা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রশ্নে কোনো আপস চান না। তারা আইন মেনে এবং পরিবেশগত শর্ত পূরণ করেই ব্যবসা পরিচালনা করতে আগ্রহী। এজন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে **৪টি মূল দাবি** তুলে ধরেছেন:
"সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় টেকসই ইকো-ট্যুরিজমের জন্য সুস্পষ্ট গাইডলাইন প্রণয়ন করা দরকার। অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করা উচিত। সরকারি দফতরগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং বিদ্যমান বিনিয়োগগুলোর আইনসম্মত পর্যালোচনার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনার সুন্দরবন পেরিফেরি এলাকা (দাকোপ ও কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকারিয়া হোসাইন শাওন (জংলবাড়ি ম্যানগ্রোভ রিসোর্ট পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি রিসোর্ট, ১৫৩ জন কর্মী (১৩৫ জন স্থানীয়), ৫৮টি ক্ষুদ্র ব্যবসা, ৭ হাজার ৩০০ মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!