📌 ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস) দাবি করেছে, সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির ভিত্তিহীন খবর প্রকাশের ফলে পর্যটন শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। স্থানীয় জেলেদের সন্দেহজনক নৌযানের খবর পাওয়ার পর বন বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, ওই নৌযানটি কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ নয়
সুন্দরবনের পর্যটন শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার আশঙ্কায় ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস) ডাকাতির ভিত্তিহীন খবরকে কাল্পনিক বলে দাবি করেছে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শাহ জামান খান পপুল জানান, স্থানীয় জেলেদের সন্দেহজনক নৌযানের খবর পেয়ে বন বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো পর্যটকবাহী জাহাজের জড়িতি পাওয়া যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টোয়াস দাবি করেছে, সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির খবর ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
- 📌 খুলনা প্রেসক্লাবতে সোমবার (৫ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে শাহ জামান খান পপুল জানান, কোনো পর্যটকবাহী জাহাজের সঙ্গে ঘটনাস্থলের নৌযানের কোনো সম্পর্ক নেই
- 📌 বন বিভাগের সদস্যরা রাত ৯টায় স্থানীয় জেলেদের সন্দেহজনক নৌযানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো পর্যটকবাহী জাহাজের জড়িতি পাওয়া যায়নি
- 📌 ওয়েব কুইন ও আরএনজি জাহাজর ৪৫ থেকে ৫০ জন পর্যটক রাত ১১টায় পশুর নদীতে পৌঁছানোর সময় কোনো বিপদ বা গুলির শব্দ শুনেননি
- 📌 টোয়াসের সদস্য তাকির বলেন, সুন্দরবনের পেরিফেরি এলাকায় জেলে ও দস্যুদের মধ্যে বিরোধের ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু তা পর্যটনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না
📰 বিস্তারিত
সুন্দরবনের পর্যটন মৌসুমের শুরুতে ডাকাতির ভিত্তিহীন খবর প্রকাশের ফলে পর্যটন শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস)। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শাহ জামান খান পপুল সোমবার (৫ অক্টোবর) খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, স্থানীয় জেলেদের সন্দেহজনক নৌযানের খবর পেয়ে বন বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তবে ওই নৌযানের সঙ্গে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজের সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
বন বিভাগের সদস্যরা রাত ৯টায় স্থানীয় জেলেদের সন্দেহজনক নৌযানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তবে ওই নৌযানের সঙ্গে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজের সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। সংবাদ সম্মেলনে আলোচনায় আসা ওয়েব কুইন ও আরএনজি জাহাজর প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়। টোয়াসের সদস্য তাকির বলেন, ঘটনার রাতে তাদের জাহাজে ৪৫ থেকে ৫০ জন পর্যটক ছিলেন। রাত ১১টার দিকে পশুর নদীতে পৌঁছানোর সময় অন্য একটি জাহাজ থেকে জানতে চাওয়া হয়, তারা কোনো বিপদে পড়েছেন কিনা বা গুলির শব্দ শুনেছেন কিনা। তারা কোনো গুলির শব্দ, চিৎকার বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি টের পাননি।
"সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে প্রকাশিত সংবাদ প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে। সুন্দরবনের পর্যটনের সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতি ও দেশের পর্যটন ভাবমূর্তি জড়িত। তাই কোনো ঘটনা প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।"
টোয়াসের নেতারা বলেন, সুন্দরবনের পেরিফেরি এলাকায় স্থানীয় জেলে ও দস্যুদের মধ্যে বিরোধ বা সংঘাতের ঘটনা ঘটতে পারে। বন বিভাগের সদস্যরা এসব ঘটনায় নিয়মিত ব্যবস্থা নেন। তবে এমন ঘটনাকে পর্যটনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে উপস্থাপন করলে সুন্দরবন নিয়ে অযথা আতঙ্ক তৈরি হতে পারে। তারা জানান, দুই থেকে তিন দশক ধরে তারা সুন্দরবনে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। পর্যটকবাহী জাহাজে বন বিভাগের সদস্য ও নিরাপত্তারক্ষীরা থাকেন এবং রাতে সাধারণত বন বিভাগের কার্যালয়ের কাছাকাছি অবস্থান করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরবন, খুলনা প্রেসক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ জামান খান পপুল (টোয়াসের সাধারণ সম্পাদক), তাকির (টোয়াসের সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর (সংবাদ সম্মেলনের তারিখ), ৯ টা রাত (ঘটনার সময়), ৪৫-৫০ জন (পর্যটক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!