📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীতে সৌর সেচ প্রযুক্তি: কৃষকদের খরচ কমে ৫০% বেড়েছে ফলন

রাজশাহীতে সৌর সেচ প্রযুক্তি: কৃষকদের খরচ কমে ৫০% বেড়েছে ফলন

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিভাগে সৌরশক্তি চালিত সেচ ব্যবস্থার প্রসারে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমে গেছে এবং ফলন ৫০% পর্যন্ত বেড়েছে। সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে ৩২টি সোলার পাম্প স্থাপিত হয়েছে, যা বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষিকে টেকসই করে তুলছে

রাজশাহী বিভাগের কৃষি খাতে সৌর সেচ প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটছে। সরকারি উদ্যোগে নবায়নযোগ্য সৌরশক্তি চালিত সেচ ব্যবস্থার প্রসারে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং ফসলের ফলন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এই পরিবর্তন বরেন্দ্র অঞ্চলের খরাপ্রবণ এলাকায় বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছে, যেখানে আগামী ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত চলমান প্রকল্পের মাধ্যমে ৩২টি সোলার সেচ পাম্প স্থাপিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলা ও ৬৭টি উপজেলায় ৩ হাজার ২০০ জন কৃষক সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন সৌর সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে
  • 📌 সৌর সেচের মাধ্যমে ফসলের নিবিড়তা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ডিজেল ও বিদ্যুৎ গ্রিডের নির্ভরতা কমেছে
  • 📌 বিনামূল্যে তিন ধরনের সৌর সেচ ব্যবস্থা প্রদান করা হচ্ছে: ফিক্সড (২৪টি), পোর্টেবল (৮টি) ও প্রিসিশন সেচ (১০টি)
  • 📌 প্রিসিশন সেচে ড্রিপ ইরিগেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পানির অপচয় কমিয়ে ফলন উন্নত করা হচ্ছে
  • 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষক আলমগীর হোসেনের মতো অনেক কৃষক ডিজেলের উচ্চমূল্য ও সংকট থেকে মুক্তি পেয়েছেন

📰 বিস্তারিত

‘রাজশাহী বিভাগ কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর অধীনে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) যৌথভাবে এই প্রকল্প পরিচালনা করছে। প্রকল্পের অধীনে বরেন্দ্র অঞ্চলের ৮টি জেলা ও ৬৭টি উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার ২০০ জন কৃষক সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন। গত দুই বছরে ৩২টি সোলার সেচ পাম্প স্থাপিত হয়েছে, যা অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে।

কৃষকদের সুবিধার্থে প্রকল্পের অধীনে তিন ধরনের সৌর সেচ ব্যবস্থা বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। প্রথমত, ফিক্সড সোলার ইরিগেশন (২ অশ্বশক্তি) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২৪টি স্থায়ী প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, পোর্টেবল সোলার ইরিগেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৮টি সচল ইউনিট প্রদান করা হয়েছে, যা কৃষকরা সহজে এক জমি থেকে অন্য জমিতে বহন করতে পারেন। তৃতীয়ত, ফলবাগানের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা ১০টি প্রিসিশন সোলার ইরিগেশন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানির পতন ঠেকাতে প্রিসিশন সেচে ড্রিপ ইরিগেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি সরাসরি গাছের শিকড়ে পানির যোগান দেয়, ফলে পানির অপচয় কমে এবং আগাছার প্রাদুর্ভাবও কমে। ফলে ফলন উন্নত হয় এবং ফসলের মানও বাড়ে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষক আলমগীর হোসেন বলেছেন, আগে সেচ মৌসুমে ডিজেলের উচ্চমূল্য ও সংকটের কারণে ফসল ফলানো কঠিন ছিল। এখন সৌর পাম্পের বিনামূল্যে সেচ পেয়ে তাঁদের খরচ এবং ভোগান্তি দুটিই শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

"এই প্রযুক্তির কল্যাণে বরেন্দ্রর অনাবাদি ও পতিত জমিতে এখন বছরে তিনটি ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে। সঠিক পরিচর্যা পেলে প্রতিটি সোলার পাম্প আগামী ২০ থেকে ২৫ বছর অনায়াসে সেবা দিয়ে যাবে।"

প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ এস এম হাসানুজ্জামান জানান, এই সৌর সেচ প্রযুক্তির কল্যাণে কৃষিকে আরও টেকসই ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে পারা যাচ্ছে। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের কৃষিকে আরও মজবুত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলা ও ৬৭টি উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলমগীর হোসেন, কৃষিবিদ এস এম হাসানুজ্জামান, কৃষকদের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২টি সোলার পাম্প, ৫০ শতাংশ ফলন বৃদ্ধি, ৩ হাজার ২০০ জন কৃষক, ২৪টি ফিক্সড ইউনিট, ৮টি পোর্টেবল ইউনিট, ১০টি প্রিসিশন ইউনিট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖