📌 বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়, বলেছেন অধিকারকর্মী খুশী কবির। তিনি বলেছেন, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অভিভাবকদের জাগ্রতকরণই এই সমস্যার মূল সমাধান
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়, বলেছেন অধিকারকর্মী খুশী কবির। তিনি মনে করেন, এই সামাজিক সমস্যা দূর করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিবেশী এবং সরকারের একসাথে কাজের প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অধিকারকর্মী খুশী কবির বলেছেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়, সমাজ ও পরিবারের সচেতনতা জরুরি
- 📌 অভিভাবকদেরই অনেক ক্ষেত্রে মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দিতে দেখা যায়, তাই তাদেরকে বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা জরুরি
- 📌 স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় বাল্যবিয়ে নিয়ে আলোচনা ও সচেতনতামূলক প্রচার চালানো প্রয়োজন
- 📌 সমাজের মানুষকে এমনভাবে সচেতন করতে হবে যাতে বাল্যবিয়ে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য না হয়
📰 বিস্তারিত
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি অভিভাবক ও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি বলে মনে করেন অধিকারকর্মী খুশী কবির। তিনি বলেন, শুধু আইন করে এই সামাজিক সমস্যা পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিবেশী ও সরকারকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
হ্যালো ডট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খুশী কবির বলেন, অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকেরাই মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দেন। তাই বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মা-বাবাকে বোঝানো জরুরি। একই সঙ্গে মেয়েদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে যাতে তারা অল্প বয়সে বিয়ের ঝুঁকি বুঝতে পারে।
তিনি আরও বলেন, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় বাল্যবিয়ে নিয়ে আলোচনা ও সচেতনতামূলক প্রচার চালানো প্রয়োজন। পাশাপাশি সমাজের মানুষকে এমনভাবে সচেতন করতে হবে যাতে বাল্যবিয়ে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত না হয়।
"এই সমস্যা দূর করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিবেশী ও সরকারকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকেরাই মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দেন। তাই তাদেরকে বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধিকারকর্মী খুশী কবির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ অক্টোবর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!