📌 সিরডাপ মিলনায়তনে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের আয়োজিত সংলাপে নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়। শেল্টার হোমের ঘাটতি, রেফারেল ব্যবস্থা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির দাবি উঠে আসে
সিরডাপ মিলনায়তনে আজ বুধবার আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত ‘নারী-শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ’ সংলাপে নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের সমন্বিত উদ্যোগের জোরালো আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা, মানবাধিকার সংগঠন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, সাংবাদিক, আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরডাপে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের আয়োজিত সংলাপে নারী-শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়
- 📌 আসকের নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা রহমান বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষায় আইন ও নীতি থাকলেও কার্যকর বাস্তবায়ন ও আন্তপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ে ঘাটতি রয়েছে
- 📌 শেল্টার হোমের সংখ্যা অপ্রতুল — নারী, শিশু, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের জন্য শেল্টার সাপোর্টের দাবি উঠে
- 📌 প্রত্যন্ত অঞ্চলে অধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রেফারেল ব্যবস্থা শক্তিশালী করা ও অনলাইনে প্রচার বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়
- 📌 বক্তারা বলেন, নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
আসকের নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা রহমান স্বাগত বক্তব্যে বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন আইন ও নীতি থাকলেও সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন, দ্রুত প্রতিকার ও সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করতে আন্তপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে শেল্টার হোমের সংখ্যা অপ্রতুল এবং নারী, শিশু, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য শেল্টার সাপোর্টের প্রয়োজন রয়েছে।
সংলাপে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি রেজমিন সুলতানা, উপপুলিশ কমিশনার মোছা. লিজা বেগম (উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ), মহিলা ও শিশুবিষয়ক অধিদপ্তরের আইন কর্মকর্তা আইভী আক্তার, ওসিসি সমন্বয়কারী চিকিৎসক তাইয়েবা সুলতানা, নারীপক্ষের প্রোগ্রাম ম্যানেজার কামরুন্নাহার, ঢাকার জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক প্রবীর দত্ত এবং সিইএফের ডেপুটি টিম লিডার ক্যাটরিনা কইনিগ বক্তব্য দেন।
বক্তারা নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা, এনজিও, নাগরিক সমাজসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন। সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে অধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের অন্তর্ভুক্তি, রেফারেল ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং অনলাইনে অধিকার বিষয়ে প্রচার বাড়ানোর সুপারিশ করেন।
"মানবাধিকার সুরক্ষায় আইন ও নীতি থাকলেও কার্যকর বাস্তবায়ন ও আন্তপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জরুরি। শেল্টার হোমের সংখ্যা অপ্রতুল এবং নির্যাতনের শিকার প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের জন্য সাপোর্টের প্রয়োজন রয়েছে।"
"নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে অধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও রেফারেল ব্যবস্থা শক্তিশালী করা দরকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরডাপ মিলনায়তন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাহমিনা রহমান (আসক নির্বাহী পরিচালক), রেজমিন সুলতানা, মোছা. লিজা বেগম, আইভী আক্তার, তাইয়েবা সুলতানা, কামরুন্নাহার, প্রবীর দত্ত, ক্যাটরিনা কইনিগ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: শেল্টার হোমের সংখ্যা অপ্রতুল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!