📌 সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ৫৫১টি পূজামণ্ডপকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়
সিরাজগঞ্জ জেলা ধর্মীয় ঐক্যের একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতির মাধ্যমে সমাজের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যায়। তিনি বলেন, ‘সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে হবে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮ অক্টোবর সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে ৫৫১টি পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের ১০ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়
- 📌 মোট ৫৫ লাখ ১০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আফসানা ইয়াসমিন, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সাইদুর রহমান বাচ্চু ও সহসভাপতি অমর কৃষ্ণ দাস
- 📌 অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থানীয় নেতা, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতির মাধ্যমে সমাজের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যায়। তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও শ্রদ্ধাবোধ সমাজের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’
রোববার (১৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৫৫১টি পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পূজামণ্ডপকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়, যার মোট পরিমাণ ৫৫ লাখ ১০ হাজার টাকা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সদর-কামারখন্দ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আফসানা ইয়াসমিন, সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সাইদুর রহমান বাচ্চু এবং সহসভাপতি অমর কৃষ্ণ দাস। এছাড়াও, বিএনপির স্থানীয় নেতা, জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
"ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সমাজের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাইফুল ইসলাম (জেলা পরিষদের প্রশাসক), রুমানা মাহমুদ (সাবেক সংসদ সদস্য), আফসানা ইয়াসমিন (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫১টি পূজামণ্ডপ, ১০ হাজার টাকা প্রতি পূজামণ্ডপ, মোট ৫৫ লাখ ১০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!