📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জে দুর্গাপূজার আনন্দে ঘরে ঘরে নাড়ু-মোয়া তৈরির ঐতিহ্য জাগ্রত

সিরাজগঞ্জে দুর্গাপূজার আনন্দে ঘরে ঘরে নাড়ু-মোয়া তৈরির ঐতিহ্য জাগ্রত

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডেইলি বাংলাদেশ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নাড়ু-মোয়া তৈরির ঐতিহ্য জাগ্রত। নারীরা ঘরে ঘরে বিভিন্ন পদের মিষ্টান্ন তৈরি করছেন, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। উপকরণের দাম বাড়লেও ঐতিহ্য বজায় রাখা হচ্ছে

সিরাজগঞ্জের সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারগুলিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নাড়ু-মোয়া তৈরির ঐতিহ্য জাগ্রত হয়েছে। এই উৎসবের আগে থেকে নারীরা ঘরে ঘরে বিভিন্ন পদের মিষ্টান্ন তৈরি করছেন, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। সদর উপজেলা সহ কামারখন্দ, বেলকুচি, উল্লাপাড়া ও তারাশের প্রতিটি উপজেলায় এই কাজে ব্যস্ত নারীরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জের ২০ থেকে ৩০ জন নারী পূজামৌসুমে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে বাড়ি বাড়ি নাড়ু-মোয়া তৈরি করছেন
  • 📌 নাড়ু-মোয়া তৈরির উপকরণের দাম বেড়েছে, কিন্তু ঐতিহ্য বজায় রাখা হচ্ছে
  • 📌 নাড়ু-মোয়ার বিভিন্ন পদ যেমন নারকেলের নাড়ু, তিলের নাড়ু, ক্ষীরের নাড়ু, মুড়ির মোয়া, ঢ্যাপের মোয়া, বাদামের মটকা, তক্তি ও পাকানো খই তৈরি হচ্ছে
  • 📌 নাড়ু-মোয়া তৈরির কাজে নারীরা পারস্পরিক সহযোগিতা করে গল্প-আড্ডা করে সময় কাটাচ্ছেন
  • 📌 পুরুষদের দায়িত্ব উপকরণ কেনা ও তৈরির পদ্ধতি নির্ধারণ করা

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে নাড়ু-মোয়া তৈরির কাজে ব্যস্ত নারীরা। কাজের ফাঁকে চলে গল্প, হাসি-আড্ডা ও পারস্পরিক সহযোগিতা। এই ঐতিহ্যবাহী কাজে নারকেল কোরানো, গুড়ের পাক তৈরি, তিল ভাজা, মুড়ি ও খইয়ের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে মোয়া তৈরি করা হচ্ছে। রান্নাঘর থেকে মিষ্টি ঘ্রাণ ভেসে আসছে। এই মিষ্টান্ন দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন করা হয় এবং ঘনিষ্ঠজনদের বাড়িতে পাঠানো হয়।

সিরাজগঞ্জ জেলা পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস ও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সভাপতি এ্যাড. সুকুমার চন্দ্র দাস বলেছেন, দুর্গাপূজায় নাড়ু-মোয়ার বিভিন্ন পদ দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন বেড়ার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দীর্ঘদিনের অভ্যাস। এ কারণে ছোট-বড়, ধনী-গরিব সবার বাড়িতেই দুর্গাপূজার সময় নাড়ু-মোয়া তৈরির ধুম পড়ে যায়।

পৌর এলাকার বাসিন্দা রাম ও লক্ষন বলেছেন, নারকেল, গুড়সহ নাড়ু-মোয়ার সব উপকরণের দাম বেড়েছে। তবে ঐতিহ্য তো আর বাদ দেওয়া যায় না। প্রায় ৬০-৭০ বছর ধরে দেখে আসছি, দুর্গাপূজা এলেই পাড়ার বাড়িগুলোতে নানা পদের নাড়ু-মোয়া তৈরি হয়।

"পূজা উপলক্ষে বানানো নাড়ু-মোয়া আমার পরিচিত হিন্দু-মুসলিম সবারই খুব প্রিয়। এগুলো ছাড়া পূজার আনন্দ যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এগুলো দিয়ে শুধু অতিথি আপ্যায়নই করা হয় না, ঘনিষ্ঠদের বাড়ি বাড়ি এগুলো পাঠানোও হয়ে থাকে।"

কামারখন্দের জামতৈল গ্রামের বাসিন্দা প্রভাত কুমার দাস ও স্কুলশিক্ষকা বিনাবানি সাহা বলেছেন, নাড়ু-মোয়া তৈরির কাজে নারীরা পারস্পরিক সহযোগিতা করে। একজনের বাড়িতে নাড়ু-মোয়া বানালেন তো পরদিন তাঁরা গেলেন আরেকজনের বাড়িতে। এভাবে কাজের পাশাপাশি চলে গল্প, হাসি-আড্ডা। এই আয়োজনের ভিন্ন একটি সামাজিক দিকও আছে। নাড়ু-মোয়ার স্বাদ ধর্মীয় পরিচয়ের গণ্ডিতে আটকে থাকে না। পরিচিতজনদের মধ্যে এসব খাবার আদান-প্রদানে বাড়ে সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা (সদর উপজেলা, কামারখন্দ, বেলকুচি, উল্লাপাড়া, তারাশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস, এ্যাড. সুকুমার চন্দ্র দাস, শিল্পী রাণী, সুস্মিতা, মলি, ইন্দুবালা হালদার, গীতারানী হালদার, রাম, লক্ষন, প্রভাত কুমার দাস, বিনাবানি সাহা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-৩০ জন নারী, ১০টি বাড়ি, ৬০-৭০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖