📌 গুলশান অ্যাভিনিউর সিম্পলট্রি আনারকলি দেশের প্রথম এলইডি গোল্ড সনদ পেয়েছে। এলইডি বাতি, মোশন সেন্সর ও দিনের আলোর নকশার কারণে বছরে ১৫% বিদ্যুৎ বাঁচায়। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহের নেতৃত্বে চারটি প্রতিষ্ঠান মিলে সিম্পলট্রি গড়ে উঠেছে, যা ৩১টি প্রকল্প হস্তান্তর করেছে
গুলশান অ্যাভিনিউর সিম্পলট্রি আনারকলি বাংলাদেশের প্রথম এলইডি (এনার্জি স্টার রেটিং) গোল্ড সনদ পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের এই স্বীকৃতি পাওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব নির্মাণে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে। এলইডি বাতি, মোশন সেন্সর এবং ভবনের ভেতরে প্রায় ৭০ শতাংশ জায়গায় দিনের আলো পৌঁছানোর নকশার কারণে এই ভবনটি বছরে প্রায় ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ বাঁচায় বলে দাবি করছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘সিম্পলট্রি’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **গোল্ড সনদ পেয়েছে**: গুলশান অ্যাভিনিউর সিম্পলট্রি আনারকলি দেশের প্রথম এলইডি গোল্ড সনদ পেয়েছে।
- 📌 **বিদ্যুৎ বাঁচায় ১৫%**: এলইডি বাতি, মোশন সেন্সর ও দিনের আলোর নকশার কারণে বছরে ১৫ শতাংশ বিদ্যুৎ বাঁচায়।
- 📌 **৭০% দিনের আলো**: ভবনের প্রায় ৭০ শতাংশ জায়গায় দিনের আলো পৌঁছানোর নকশা রয়েছে।
- 📌 **২৪ তলা ভবন**: গুলশান অ্যাভিনিউর ২৪ তলা সিম্পলট্রি জিএসআর এলইডি গোল্ড সনদ পেয়েছে।
- 📌 **৩১টি প্রকল্প হস্তান্তর**: প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত ৩১টি প্রকল্প হস্তান্তর করেছে, চলমান ১৫টি।
- 📌 **১৫ লাখ বর্গফুট নির্মাণ**: প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট নির্মাণ শেষ হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সিম্পলট্রির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ বুয়েটে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৪ সাল থেকে ঢাকায় স্থাপত্যের কাজ করছেন তিনি। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন নকশা প্রতিষ্ঠান ভলিউমজিরো লিমিটেড এবং একই বছর মোরশেদা নাসমীনের সঙ্গে স্পেসজিরো লিমিটেড। উদ্দেশ্য ছিল, নকশা যেন ঠিক যেভাবে ভাবা হয়েছে, সেভাবেই বাস্তবে গড়ে ওঠে। পরে যুক্ত হয় ভবন পরিচালনার প্রতিষ্ঠান এফএমএস স্পেসজিরো ও ইন্টেরিয়রের প্রতিষ্ঠান সিম্পল স্পেস। এই চারটি প্রতিষ্ঠান মিলে আজকের সিম্পলট্রি গড়ে উঠেছে।
একজন স্থপতির নেতৃত্বে গড়ে উঠা সিম্পলট্রি ঢাকার ঘনবসতির শহরে কম জায়গায় বেশি আলো, বাতাস ও সবুজ আনতে মনোনিবেশ করেছে। এই ভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে আনারকলিতে। এলইডি বাতি, মোশন সেন্সর এবং দিনের আলোর নকশার বাইরেও ভবনে রয়েছে ভার্টিক্যাল গার্ডেন, বিভিন্ন স্তরের জলাধার ও নিচু বাগান। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ স্মৃতি পার্কের পাশে তৈরি ভবনটির নকশায় সবুজ ছাদ, ছাউনি দেওয়া টেরাস ও খোলা প্লাজা রাখা হয়েছে।
সিম্পলট্রির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো নকশা থেকে নির্মাণ, ইন্টেরিয়র ও হস্তান্তর পর্যন্ত পুরো প্রপার্টি সমন্বিতভাবে পরিচালনা করা। কর্মকর্তারা বলছেন, এতে সিদ্ধান্ত দ্রুত হয়, কাজে সমন্বয় থাকে এবং সময়মতো হস্তান্তর সহজ হয়। প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত ৩১টি প্রকল্প হস্তান্তর করেছে, চলমান ১৫টি প্রকল্প রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট নির্মাণ শেষ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সামনে আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প নিয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
"প্রতিটি জায়গার একটি প্রাণ আছে, আর প্রতিটি প্রাণের আছে নিজের গল্প। পরিবেশবান্ধব নির্মাণ আমাদের অঙ্গীকারের অংশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান অ্যাভিনিউ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ, মোরশেদা নাসমীনের, কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০%, ১৫%, ২৪ তলা, ৩১টি, ১৫টি, ১৫ লাখ বর্গফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!