📌 সিলেটের কিন ব্রিজ ১৯৩৬ সালে নির্মিত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী ডিনামাইট দিয়ে ব্রিজের অংশ ধ্বংস করে। ২০২৩ সালে সংস্কারের পর এটি শুধু পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে
সিলেটের ঐতিহাসিক কিন ব্রিজ সুরমা নদীর ওপর দাঁড়িয়ে আছে এবং এটি শহরের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ব্রিজের নামকরণ করা হয়েছে আসাম প্রদেশের সাবেক গভর্নর মাইকেল কিনের নামে। ব্রিজের আকৃতি ধনুকের মতো বাঁকানো এবং এটি ১৯৩৩ সালে নির্মাণ শুরু হয়, তিন বছর পর ১৯৩৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৩৬ সালে নির্মিত সিলেটের কিন ব্রিজের নামকরণ করা হয়েছে আসামের সাবেক গভর্নর মাইকেল কিনের নামে
- 📌 মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী ডিনামাইট দিয়ে ব্রিজের একটি অংশ ধ্বংস করে
- 📌 ১৯৭৭ সালে কংক্রিট দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনর্নির্মাণ করা হয় এবং ২০২৩ সালে সংস্কারের পর শুধু পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে
- 📌 বিকেলের সময় ব্রিজের আশপাশে পরিবেশ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে, লোকগানের আয়োজনও হয়
📰 বিস্তারিত
সিলেটের বন্দরবাজার এলাকায় অবস্থিত কিন ব্রিজ প্রায় এক শতাব্দী ধরে দাঁড়িয়ে আছে। ব্রিজের আকৃতি ধনুকের মতো বাঁকানো এবং এটি লোহা দিয়ে তৈরি। ১৯৩৩ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৩৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়। ব্রিজের নামকরণ করা হয়েছে আসাম প্রদেশের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল কিনের নামে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী ডিনামাইট দিয়ে ব্রিজের একটি অংশ ধ্বংস করে দেয়। স্বাধীনতার পর প্রথমে অস্থায়ীভাবে মেরামত করা হয়। পরে ১৯৭৭ সালে কংক্রিট দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনর্নির্মাণ করা হয় এবং আবার যানবাহনের চলাচল শুরু হয়। সর্বশেষ ২০২৩ সালে সংস্কারের পর সেতুটি যানবাহনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং বর্তমানে শুধু পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।
বিকেলের দিকে কিন ব্রিজ ও এর আশপাশের পরিবেশ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। কেউ নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেন। সন্ধ্যার পর অনেক সময় দেখা যায় গিটার বা দোতারা নিয়ে লোকগানের ছোট ছোট আয়োজন।
"বিকেলের দিকে কিন ব্রিজের আশপাশে পরিবেশ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। লোকগানের আয়োজনও হয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেটের বন্দরবাজার, সুরমা নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাইকেল কিন (আসামের সাবেক গভর্নর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৩৬ (নির্মাণ বছর), ১৯৭৭ (পুনর্নির্মাণ), ২০২৩ (সর্বশেষ সংস্কার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!