📌 উঠতি বয়সে সন্তানের আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে তা মাদকাসক্তির লক্ষণ হতে পারে। অভিভাবকদের উচিত সন্তানের প্রতি আন্তরিক হওয়া এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া
উঠতি বয়সে সন্তানের আচরণে স্বাভাবিকভাবেই কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে একাধিক অস্বাভাবিকতা দীর্ঘদিন ধরে দেখা দিলে তা মাদকাসক্তির লক্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী শারমিন হক।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উঠতি বয়সে হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে সন্তানের আবেগ টালমাটাল থাকে
- 📌 একাধিক অস্বাভাবিক আচরণ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে তা মাদকাসক্তির ইঙ্গিত হতে পারে
- 📌 অতিরিক্ত গোপনীয়তা, ঘুমের সমস্যা, ওজন পরিবর্তন মাদকাসক্তির লক্ষণ
- 📌 অভিভাবকের উচিত সন্তানের প্রতি আন্তরিক হওয়া এবং ধমক বা মারধর না করা
- 📌 সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত বা প্রস্রাব পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে
📰 বিস্তারিত
উঠতি বয়সে সন্তানের আচরণে স্বাভাবিকভাবেই কিছু পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছেন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী শারমিন হক। অভিভাবক হিসেবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, হরমোনজনিত শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটছে তার। আবেগের দিক থেকে ভীষণ টালমাটাল একটা সময় পার করছে সে। তার যেকোনো বিষয়ে অভিভাবক অধৈর্য হলে তার জীবনের বড় ক্ষতির ঝুঁকি থাকে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
একাধিক অস্বাভাবিকতা দীর্ঘদিন ধরে থাকলে তা মাদকাসক্তির লক্ষণ হতে পারে। শুধু মাদক গ্রহণ নয়, একাডেমিক চাপ বা মানসিক পীড়ার কারণেও এমন পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। সন্তান হুট করে নিজেকে গুটিয়ে নিতে পারে, অতিরিক্ত বিরক্তি বা রাগ দেখাতে পারে। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও পোশাকের পারিপাট্য নিয়ে স্বাভাবিক সচেতনতা হারিয়ে ফেলতে পারে সে।
মাদক গ্রহণের ফলে ঘুমের স্বাভাবিকতা নষ্ট হওয়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, ক্ষুধামান্দ্য, ওজনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত অর্থের চাহিদা বেড়ে যাওয়া বা বাড়ির অর্থ হারিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। সন্তানের ঘরে অস্বাভাবিক ঘ্রাণ বা মাদকের অনুষঙ্গ পাওয়া যেতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
সন্তান মাদক নিচ্ছে বলে সন্দেহ হলে তার প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। প্রমাণ পেলেও ধমক, অপমান বা মারধর করা যাবে না। ঘরবন্দী করে ফেলা বা কড়া শাসন করলে আসক্তি বাড়তে পারে বা আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। অভিভাবকদের উচিত সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা এবং তার নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা।
"সন্তান মাদক নিচ্ছে বলে সন্দেহ হলে তার প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। প্রমাণ পেলেও ধমক, অপমান কিংবা মারধর করে তাকে শোধরানোর চেষ্টা করা যাবে না। ঘরবন্দী করে ফেলা যাবে না। এই অবস্থায় কড়া শাসন করতে গেলে তার আসক্তি বাড়তে পারে কিংবা নিজেকে আঘাত করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শারমিন হক (চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী, স্কয়ার হাসপাতাল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: একাধিক অস্বাভাবিক আচরণ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে তা মাদকাসক্তির লক্ষণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!