📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শেরপুরের মাদরাসায় ভুয়া নিয়োগ: অফিস সহকারী পদ থেকে এমপিও বাতিল, অভিযোগকারী দাবি করছেন নিজেই বৈধ কর্মী

শেরপুরের মাদরাসায় ভুয়া নিয়োগ: অফিস সহকারী পদ থেকে এমপিও বাতিল, অভিযোগকারী দাবি করছেন নিজেই বৈধ কর্মী

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার একটি মাদরাসায় অফিস সহকারী পদে ভুয়া নিয়োগের ঘটনা উন্মোচিত হয়। অভিযোগকারী কর্মী মো. আবুবকর সিদ্দিকের দাবিতে তদন্তে মোবারক হোসেনের এমপিওভুক্তি বাতিল করা হয়

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কালাকুড়া নেছারিয়া দাখিল মাদরাসায় অফিস সহকারী পদে ভুয়া নিয়োগের ঘটনা উন্মোচিত হয়েছে। অভিযোগের পর তদন্তে মোবারক হোসেনের এমপিওভুক্তি বাতিল করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কালাকুড়া নেছারিয়া দাখিল মাদরাসায় অফিস সহকারী পদে ভুয়া নিয়োগের ঘটনা উন্মোচিত হয়েছে
  • 📌 মোবারক হোসেনের এমপিওভুক্তি বাতিল করা হয়েছে, কারণ তার নিয়োগ অবৈধ ও ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে
  • 📌 অভিযোগকারী মো. আবুবকর সিদ্দিক দাবি করেছেন, তিনি বৈধ অফিস সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন
  • 📌 তদন্তে মোবারক হোসেনের নিয়োগে গুরুতর অসঙ্গতি পাওয়া যায়, যা অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হয়
  • 📌 ২০১৩ সালে মো. আব্দুস সামাদ কর্তৃক মোবারক হোসেনকে অফিস সহকারী পদে ভুয়া নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কালাকুড়া নেছারিয়া দাখিল মাদরাসায় অফিস সহকারী পদে ভুয়া নিয়োগের ঘটনা উন্মোচিত হয়েছে। মাদরাসার অফিস সহকারী পদে নিয়োগপ্রাপ্ত মোবারক হোসেনের নিয়োগ ভুয়া ও অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় তার নাম এমপিওভুক্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারী কর্মী মো. আবুবকর সিদ্দিক জানান, তিনি মাদরাসার বৈধ অফিস সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন সহকারী সুপার মো. আব্দুস সামাদ গোপনে মোবারক হোসেনকে পদে নিয়োগ দেন। পরবর্তীতে মোবারক হোসেনের এমপিওভুক্তির বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন।

তদন্তে মোবারক হোসেনের নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র, রেজুলেশন ও নিয়োগ প্রক্রিয়া যাচাই করা হয়। তদন্তে তার নিয়োগে গুরুতর অসঙ্গতি পাওয়া যায় এবং নিয়োগটি ভুয়া ও অবৈধ হিসেবে প্রমাণিত হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে যাচাই-বাছাই করা হয়। তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববির প্রশাসনিক উদ্যোগে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে যায়।

২০১৩ সালে মো. আব্দুস সামাদ কর্তৃক মোবারক হোসেনকে অফিস সহকারী পদে ভুয়া নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তদন্তে ওই নিয়োগ অবৈধ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় এমপিওভুক্ত তালিকা থেকে তার নাম কর্তন করা হয়েছে।

"আমি মাদরাসাটির বৈধ অফিস সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। মোবারক হোসেনের নিয়োগ অবৈধ এবং তার এমপিওভুক্তি বাতিল করা উচিত"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কালাকুড়া নেছারিয়া দাখিল মাদরাসা, নালিতাবাড়ী উপজেলা, শেরপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবুবকর সিদ্দিক, মোবারক হোসেন, মো. আব্দুস সামাদ, ফারজানা আক্তার ববি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৩

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖