📌 পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু ঘোষণা করেছেন, শেরপুরের গারো পাহাড়ে বন্যহাতির নিরাপদ করিডোর তৈরির জন্য ভারতের সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে। এছাড়াও বনভূমিকে হাতির আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে
শেরপুরের বন্যহাতি সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সূচনা করেছে বাংলাদেশ সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু ঘোষণা করেছেন, শিগগিরই ভারতের সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে শেরপুরের গারো পাহাড়ে বন্যহাতির নিরাপদ করিডোর তৈরির জন্য। এছাড়াও বনভূমিকে হাতির নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেরপুরে বন্যহাতির নিরাপদ করিডোর তৈরির জন্য ভারতের সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে সরকার
- 📌 পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু ঘোষণা করেছেন, আগের প্রটোকল অনুসরণ করে করিডোর চালু করা হবে
- 📌 মধুটিলা ইকোপার্ক ও ঝিনাইগাতী উপজেলাতে সভায় অংশগ্রহণ করে মন্ত্রী
- 📌 ১০টি ইআরটি দলের সদস্যদের বিতরণ করা হয় বিভিন্ন উপকরণ ও সামগ্রী
- 📌 বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত একজনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
শনিবার (১০ অক্টোবর) শেরপুর জেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ বন বিভাগের আয়োজনে মধুটিলা ইকোপার্কে অনুষ্ঠিত একটি সভায় পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় তিনি বলেন, বন্যহাতির নিরাপদ করিডোর তৈরির জন্য ভারতের সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে আগের প্রটোকল অনুসরণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, শেরপুরের বনভূমিকে বন্যহাতির নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমীনের সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, বন সংরক্ষক (বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চল) মো. ছানাউল্যা পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক এএসএম জহির উদ্দিন আকন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম, স্থানীয় ইআরটি সদস্য লরেন্স দ্রং এবং শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল।
সভায় নালিতাবাড়ী উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত একজনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। ১০টি ইআরটি দলের সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন উপকরণ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মন্ত্রী সভার আগে বন্যহাতির একটি করিডোর পরিদর্শন করেন। পরে তিনি পাশের ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আরেকটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা।
"বন্যহাতির নিরাপদ করিডোর তৈরির জন্য ভারতের সঙ্গে সংলাপ শুরু হবে। আগের প্রটোকল অনুসরণ করে করিডোর চালু করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর জেলা, মধুটিলা ইকোপার্ক, ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমীনের, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি ইআরটি দল, ১০ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!