📌 শেরপুরের নকলা উপজেলায় তিন বছর আগে অটোচালক মান্নাছ হত্যার ঘটনায় পিবিআই তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ, নারীর প্রলোভন দেখিয়ে হত্যার পর অটোরিকশার যন্ত্রাংশ বিক্রি করা হয়েছিল।
শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় তিন বছর আগে সংঘটিত অটোচালক হত্যা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ রয়েছে, নারীর প্রলোভন দেখিয়ে হত্যার পর অটোরিকশার যন্ত্রাংশ বিক্রি করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেরপুরের নকলা উপজেলায় তিন বছর আগে হত্যা হওয়া অটোচালক মান্নাছের মামলায় পিবিআই তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে
- 📌 অভিযুক্তরা হলেন মোস্তাকিন (৩০), মো. শাহিন (৪০) ও মো. স্বপন (৪২)
- 📌 হত্যার পর অটোরিকশার যন্ত্রাংশ ২২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল
- 📌 মান্নাছকে নারীর প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়
📰 বিস্তারিত
শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম টালকি গ্রামের দরিদ্র অটোচালক মান্নাছকে হত্যার ঘটনায় পিবিআই তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত জানান, ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভাড়ায় অটোরিকশা চালানোর জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর মান্নাছ নিখোঁজ হন। তার মৃতদেহ দুদিন পর ২৫ ডিসেম্বর সকালে পাঠাকাটা বাঘমারি বিলে কচুরিপানার নিচে পুঁতা অবস্থায় পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় মান্নাছের স্ত্রী আসমা আক্তার ওইদিন অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে নকলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রাথমিকভাবে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করলেও তদন্তে অচলাবস্থা দেখা দেয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই পিবিআইকে তদন্তভার দেওয়া হলে তারা চলতি বছরের ১৩ আগস্ট মোস্তাকিনকে গ্রেপ্তার করে।
পিবিআই জানায়, হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি স্বপন ঘটনার সময় লাশ উদ্ধারে উপস্থিত থাকলেও কেউ তাকে সন্দেহ করতে পারেনি। অভিযুক্তরা মান্নাছকে নারীর প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বিলের পারে হত্যা করে এবং তার অটোরিকশার যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেন।
"২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর রাতে মান্নাছ নিখোঁজ হন। তার মৃতদেহ উদ্ধারের পর হত্যার কারণ উদঘাটনে পিবিআই তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চলতি বছরের ১৩ আগস্ট মোস্তাকিনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মান্নাছ, মোস্তাকিন, মো. শাহিন, মো. স্বপন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বছর, ২২ হাজার টাকা, ৩০ বছর, ৪০ বছর, ৪২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!