📌 শরীয়তপুর জেলায় ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ রাখতে ২৮ হাজার ৯২৯ জেলেকে ৭২৩ টন চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং জেলেদের জীবিকা নিশ্চিত করতে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে
শরীয়তপুর জেলায় ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণ থেকে জেলেদের বিরত রাখতে সরকারি সহায়তা হিসেবে ২৮ হাজার ৯২৯ জন জেলেকে ৭২৩ মেট্রিক টন চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক জেলা ২৫ কেজি করে চাল পাবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শরীয়তপুর জেলায় ২৮ হাজার ৯২৯ জন জেলাকে ৭২৩ টন চাল বিতরণ করা হচ্ছে
- 📌 প্রত্যেক জেলা ২৫ কেজি করে চাল পাবেন — মোট ৭২৩ মেট্রিক টন চাল বিতরণের লক্ষ্য
- 📌 ৭ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিনের জন্য মা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ
- 📌 জেলার চারটি উপজেলা জাজিরা, নড়িয়া, গোসাইরহাট ও ভেদরগঞ্জে চাল বিতরণ চলছে
- 📌 জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য না করে, সে লক্ষ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
মৎস্য বিভাগের সূত্রে জানা যায়, পদ্মা-মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত শরীয়তপুর জেলার নদীগুলোতে ইলিশ আহরণের সময়সূচীতে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) থেকে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও বিতরণকেন্দ্রে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে।
মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে জেলেদের জীবিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করা হবে। জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য না করে, সে লক্ষ্যে কর্মকর্তারা তাদেরকে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আহ্বান জানাচ্ছেন।
গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপন বেপারী বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিবছর মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য জনপ্রতিনিধিরা কাজ করে আসছেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকৃত জেলেদের যাচাই-বাছাই করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
"গত বছরের মতোই এই বছরও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রকৃত জেলেদের যাচাই-বাছাই করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শরীয়তপুর জেলা (জাজিরা, নড়িয়া, গোসাইরহাট, ভেদরগঞ্জ উপজেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বপন বেপারী (গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ হাজার ৯২৯ জন জেলা, ৭২৩ টন চাল, ২৫ কেজি প্রতি জেলা, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!