📌 নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শেষ মুহূর্তে। ৪৪টি পূজামণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে, রং-তুলি ও সাজসজ্জা চলছে। প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি শেষ মুহূর্তে। প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হলেও মণ্ডপ সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ এগিয়ে চলছে। প্রতিমা শিল্পীরা দিন-রাত কাজ করে চোখ-মুখ ও অলংকারের কাজে ব্যস্ত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কেন্দুয়া উপজেলায় মোট ৪৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে — গত বছরের চেয়ে ২টি বেশি
- 📌 এর মধ্যে ৩৮টি স্থায়ী ও ৬টি অস্থায়ী মণ্ডপে উৎসব অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হলেও মণ্ডপ সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জা চলছে
- 📌 প্রতিমা শিল্পী দিলীপ পাল বলেন, প্রতিমা তৈরিতে মাটির কাজ শেষ হওয়ার পর রং ও তুলির কাজই পূর্ণাঙ্গতা দেয়
- 📌 প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে — প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপির সদস্য নিয়োগ
- 📌 প্রতিটি মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে
📰 বিস্তারিত
কেন্দুয়া পৌরসভার শ্রী শ্রী হরিসভা দূর্গামন্দির, পূর্বরায় সার্বজনীন দূর্গামন্দির, কান্দিউড়া সাহাপাড়া দূর্গামন্দির, মোজাফফরপুর বর্মন পাড়া দূর্গামন্দির, সাহিতপুর ত্রিনেত্রশ্বরী দূর্গামন্দির, বাট্টা সার্বজনীন দূর্গামন্দির ও আশুজিয়া সরকার বাড়ি দূর্গামন্দিরসহ বেশ কয়েকটি পূজামণ্ডপে কারিগররা ব্যস্ত। প্রতিমার চোখ-মুখ, পোশাক ও অলংকারের কাজে ব্যস্ত প্রতিমা শিল্পীরা দিন-রাত কাজ করছেন।
কেন্দুয়া উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সজল কুমার সরকার জানান, প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হলেও মণ্ডপের সাজসজ্জা ও অন্যান্য প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, এবার কেন্দুয়া উপজেলায় মোট ৪৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দূর্গা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে যা গত বছরের চেয়ে ২টি বেশি। এর মধ্যে ৩৮টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী মণ্ডপে উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিমা শিল্পী দিলীপ পাল বলেন, ছোট বেলা থেকে প্রতিমা তৈরী করি। প্রতিমা তৈরিতে মাটির কাজ শেষ হওয়ার পর রং ও তুলির কাজই প্রতিমাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়। বিশেষ করে চোখ-মুখের অভিব্যক্তি ও অলংকারের কাজে বাড়তি যত্ন নিতে হয়। তাই পূজার আগমুহূর্তে প্রতিমা শিল্পীদের ব্যস্ততাও বেড়েছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেছেন, পূজার সময় উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও ভিডিপির সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন। তাছাড়া প্রতিটি মণ্ডপেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ সানজিদা চৌধুরী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব হলো দুর্গাপূজা। শারদীয় দুর্গাপূজায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালন করতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করা হয়েছে।
"প্রতিমা তৈরিতে মাটির কাজ শেষ হওয়ার পর রং ও তুলির কাজই প্রতিমাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়। বিশেষ করে চোখ-মুখের অভিব্যক্তি ও অলংকারের কাজে বাড়তি যত্ন নিতে হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেন্দুয়া উপজেলা, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সজল কুমার সরকার (সাধারণ সম্পাদক), দিলীপ পাল (প্রতিমা শিল্পী), মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম (থানার কর্মকর্তা), মিজ সানজিদা চৌধুরী (নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪টি পূজামণ্ডপ, ৩৮টি স্থায়ী মণ্ডপ, ৬টি অস্থায়ী মণ্ডপ, ২টি বেশি মণ্ডপ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!