📌 বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত শাঁখারীবাজার ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শঙ্খশিল্পের কেন্দ্রবিন্দু। ১৯৭১ সালের গণহত্যার পরেও শাঁখারীরা পুনরায় পেশা পুনর্গঠন করে ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছে
ঢাকার পুরান এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত শাঁখারীবাজার ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শঙ্খশিল্পের জীবন্ত সাক্ষী। এই এলাকাটি ইসলামপুর রোড ও নওয়াবপুর রোডের সংযোগস্থলে গড়ে উঠেছে এবং এর নামকরণ করা হয়েছে শাঁখারীদের নামে, যারা বংশানুক্রমে শঙ্খশিল্পে নিয়োজিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শাঁখারীবাজার ঢাকার পুরান এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত, যেখানে শঙ্খশিল্পের ঐতিহ্য বহু শতাব্দী ধরে চলছে।
- 📌 এলাকাটি শাঁখারীদের বসতি হিসেবে গড়ে উঠেছে, যারা বংশানুক্রমে শঙ্খশিল্পে নিয়োজিত এবং তাদের বাড়ি-দোকান একই ভবনে অবস্থিত।
- 📌 ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যাতে শাঁখারীবাজার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও স্বাধীনতার পর শাঁখারীরা পুনরায় পেশা পুনর্গঠন করে ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
- 📌 আজও এই এলাকাটি পুরান ঢাকার সাংস্কৃতিক পরিচয় বহন করে, যেখানে শাঁখার দোকানগুলো সরু রাস্তার দুই পাশে সারি সারি অবস্থিত।
📰 বিস্তারিত
শাঁখারীবাজার ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শঙ্খশিল্পের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই এলাকাটি শঙ্খশিল্পীদের বসতি হিসেবে গড়ে উঠেছে এবং বংশানুক্রমে এই পেশা ধরে রেখেছে বহু পরিবার। বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত এই এলাকাটি ইসলামপুর রোড ও নওয়াবপুর রোডের সংযোগস্থলে অবস্থিত। শাঁখারীবাজারের নামকরণ করা হয়েছে শাঁখারীদের নামে, যারা এখানে বসবাস ও ব্যবসা করে আসছেন।
এখানকার গলিতে ঢুকলেই চোখে পড়ে সরু রাস্তার দুই পাশে সারি সারি শাঁখার দোকান। দোকানগুলোর ঠিক উপরে রয়েছে শত বছরের পুরোনো ভবন, যেখানে নিচতলায় ব্যবসা এবং ওপরের অংশে বসবাস করেন শাঁখারীরা। শাঁখারীবাজার একসময় ছিল ঢাকার শঙ্খশিল্পের প্রধান কেন্দ্র। এখানকার তৈরি শাঁখা শুধু স্থানীয় বাজারেই নয়, একসময় ছিল পরিচিত নামও।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যা শাঁখারীবাজারকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে স্বাধীনতার পর শাঁখারীরা আবারও ফিরে এসে তাদের জীবন ও পেশা পুনর্গঠন করেন। আজও শাঁখারীবাজার পুরান ঢাকার সেই ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে বুকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে। এখানে পা রাখলেই যেন ফিরে পাওয়া যায় এক পুরোনো ঢাকার জীবন্ত ছবি।
"এখানে পা রাখলেই যেন ফিরে পাওয়া যায় এক পুরোনো ঢাকার জীবন্ত ছবি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে, ঢাকার পুরান এলাকা (ইসলামপুর রোড ও নওয়াবপুর রোডের সংযোগস্থল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাঁখারীরা (শঙ্খশিল্পীরা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ মার্চ ১৯৭১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!