📌 শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান রহমান (নাবিল) সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন। দুর্ঘটনায় দুটি বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান রহমান (নাবিল) সিলেটের সুনামগঞ্জ মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন। রাত সোয়া ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন তপোবন আবাসিক এলাকায় ঘটে এই দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় দুটি বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান রহমান (নাবিল) মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন
- 📌 দুর্ঘটনা ঘটে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে, রাত সোয়া ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন তপোবন এলাকায়
- 📌 নিহত শিক্ষার্থী পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ছিলেন, বাড়ি রাজবাড়ীর ভবানীপুরে
- 📌 দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে মৃত্যু হয়, হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়
- 📌 দুটি বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত: পদার্থবিজ্ঞান ও খাদ্য প্রকৌশল ও চা প্রযুক্তি বিভাগ
- 📌 ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সাদমান রহমান (নাবিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে মদিনা মার্কেটের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মহাসড়কের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার পর উপস্থিত লোকজন তাঁর সহপাঠীদের মুঠোফোনে কল করে বিষয়টি জানান। তাঁরা সাদমানকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান, পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।
পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে দুর্ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন সাপেক্ষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোখলেসুর রহমান জানান, সাদমানের অভিভাবকদের অবহিত করা হয়েছে এবং লাশ পরিবারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি–তদন্ত) মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, স্পিডব্রেকারে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি সড়ক বিভাজকে ধাক্কা খেয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য জি এম রবিউল ইসলাম জানান, সাদমানের লাশের সঙ্গে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন তাঁর সহপাঠী ও একই গ্রামের বাসিন্দা।
"তাঁর অভিভাবকদের আমরা অবহিত করেছি। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন সাপেক্ষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পাঠানো হয়েছে।"
দুর্ঘটনায় দুটি বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান আবদল হান্নান জানান, আজ বেলা একটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়াও, সাদমানের সহপাঠী যিনি লাশবাহী গাড়ির সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন, তিনি খাদ্য প্রকৌশল ও চা প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী। ফলে ওই বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের একটি পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট; সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট; রাজবাড়ী ভবানীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদমান রহমান (নাবিল), মোখলেসুর রহমান, আবদুল মুহিত, মুজাহিদুল ইসলাম, জি এম রবিউল ইসলাম, আবদল হান্নান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৫-২৬ (শিক্ষাবর্ষ), ১২.০ (টার), ২০২১-২২ (শিক্ষাবর্ষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!