📌 সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ঐতিহাসিক ডেগ থেকে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা পাওনা গেছে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণালংকারও পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘোষণা করেন এই অর্থের পরিমাণ
সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের ঐতিহাসিক দানবাক্স ও সিলগালা করা ডেগ থেকে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা পাওনা গেছে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণালংকারও পাওয়া গেছে। আজ শনিবার সকাল নয়টার দিকে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের উপস্থিতিতে মাজার প্রাঙ্গণে টাকার গণনা শুরু হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে গণনা শেষ হয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাজারের দানবাক্স ও ডেগ থেকে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা পাওনা গেছে
- 📌 পাওয়া যায় ১ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার ও ৩ ভরি ১৩ আনা রূপা
- 📌 ব্রিটিশ ১৪ পাউন্ড, ভারতীয় ৭ হাজার ৬৪৭ রুপি, সৌদি আরবের ৯৩ রিয়ালসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে
- 📌 জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘোষণা করেন এই অর্থের পরিমাণ
- 📌 ২০২৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফায় ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা পাওয়া গিয়েছিল
- 📌 ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় প্রায় পৌনে এক কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল
- 📌 ২০২৬ সালের ২২ জুন প্রথম দফায় প্রায় ১৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়
- 📌 ২০২৬ সালের ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় প্রায় অর্ধকোটি টাকা পাওয়া যায়
📰 বিস্তারিত
সিলেট জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মাজারের দানবাক্সে বাংলাদেশি টাকার পাশাপাশি ১ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার ও ৩ ভরি ১৩ আনা রূপা পাওয়া গেছে। এছাড়াও ব্রিটিশ ১৪ পাউন্ড, ভারতীয় ৭ হাজার ৬৪৭ রুপি, থাইল্যান্ডের ২০ বাথ, সৌদি আরবের ৯৩ রিয়াল, মালয়েশিয়ার ১১ রিঙ্গিত, মার্কিন ডলার ২৯ টাকা, কাতারের ১৭ রিয়াল, ইউরো ৭.৩৩ টাকা, হংকংয়ের ১০ ডলারসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা পাওয়া গেছে।
জেলা প্রশাসকের তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থের গণনা শুরু হয় ২০২৬ সালের ২৪ অক্টোবর শনিবার সকাল নয়টায়। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মাজার প্রাঙ্গণে টাকার গণনা শুরু হয় এবং সন্ধ্যা ছয়টায় শেষ হয়। এছাড়াও, জেলা প্রশাসক জানান, এই অর্থ জেলা প্রশাসকের ব্যবস্থাপনায় একটি ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরানের (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। তিনি মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেন। এর অংশ হিসেবে ১৮ জুন বিকেলে মাজারে থাকা আগের দানবাক্স সিলগালা করে নতুন দানবাক্স স্থাপন করা হয়। এছাড়াও, ঐতিহাসিক তিনটি ডেগও সিলগালা করা হয়।
২৬ জুন সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত সভায় মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সভায় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্ব ছিল। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাজারের টাকার ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নে এবং বাকি ৬৫ শতাংশ অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের কাজে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
"মাজারের দানবাক্স ও ডেগ থেকে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা পাওনা গেছে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও স্বর্ণালংকারও পাওয়া গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট, হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা, ১ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার, ৩ ভরি ১৩ আনা রূপা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!