📌 সিলেটের হজরত শাহজালাল মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বিপ্লব: প্রতিদিন দানের টাকা গণনা করা হবে। উন্নয়ন প্রকল্পে ৩৫% এবং দৈনন্দিন ব্যয়ে ৬৫% বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৭ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে যারা ম্যানেজার, হিসাবরক্ষক ও অফিস সহকারী নিয়োগেরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে
সিলেটের হজরত শাহজালাল (র.) মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, প্রতিদিন মাজারে প্রাপ্ত দানের টাকা গণনা করা হবে। এই টাকার ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়ন প্রকল্পে এবং বাকি ৬৫ শতাংশ দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনা ব্যয়ে ব্যয় করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতিদিন গণনা: হজরত শাহজালাল মাজারের প্রাপ্ত দানের টাকা প্রতিদিন গণনা করা হবে।
- 📌 ৩৫% উন্নয়ন বরাদ্দ: প্রাপ্ত টাকার ৩৫ শতাংশ সোনালী ব্যাংকের নির্দিষ্ট হিসাবে মাজার উন্নয়নের জন্য রাখা হবে।
- 📌 ৬৫% দৈনন্দিন ব্যয়: বাকি ৬৫ শতাংশ টাকা মাজারের দৈনন্দিন ব্যয়ে, যেমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, আনসার সদস্যদের বেতন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনে ব্যয় করা হবে।
- 📌 ৭ সদস্যের কমিটি: মাজার পরিচালনার জন্য ৭ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে, যার মধ্যে জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন আহ্বায়ক হিসেবে থাকবেন।
- 📌 নতুন নিয়োগ: শিগগিরই ম্যানেজার, হিসাবরক্ষক ও অফিস সহকারী নিয়োগ দেওয়া হবে। ম্যানেজার হিসেবে রিটায়ার্ড সিভিল সার্ভেন্ট বা আর্মি পার্সন নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কায়েস লোদী, রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ শামীম এবং মাজারের সদস্যবৃন্দ। মিটিংয়ের আহ্বায়ক ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মাজারের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, মাজারের প্রাপ্ত দানের টাকা প্রতিদিন গণনা করা হবে এবং সোনালী ব্যাংকের নির্দিষ্ট হিসাবে ৩৫ শতাংশ টাকা মাজার উন্নয়নের জন্য রাখা হবে। এই হিসাব জেলা প্রশাসক এবং মাজারের মোতাওয়াল্লির যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ টাকা দৈনন্দিন ব্যয়ে, যেমন ৩০ জন আনসার সদস্যদের বেতন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যয় করা হবে।
মাজার পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ম্যানেজার হিসেবে রিটায়ার্ড সিভিল সার্ভেন্ট বা আর্মি পার্সন নিয়োগ করা হবে। তিনি কমিটির সচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া একজন হিসাবরক্ষক ও একজন অফিস সহকারী নিয়োগ দেওয়া হবে। ম্যানেজার ও কর্মকর্তারা মাজারের সার্বিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করবেন।
"মাজারের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং প্রাপ্ত আয়ের সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আজকের কমিটির সর্বশেষ মিটিং হয়েছে।" — জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট সার্কিট হাউস, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, মো. মশিউর রহমান, রেজাউল হাসান কায়েস লোদী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ শতাংশ (উন্নয়ন বরাদ্দ), ৬৫ শতাংশ (দৈনন্দিন ব্যয়), ৭ সদস্য (কমিটি), ৩০ জন (আনসার সদস্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!