📌 হজরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন এটিসি টাওয়ার চালু হলে দেশের আকাশসীমা নিরাপত্তা বাড়ছে এবং ওভারফ্লাইং চার্জ থেকে ৪১৬ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হচ্ছে। এয়ার কমডোর নূর-ই-আলম বলেছেন, নতুন প্রযুক্তির কারণে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ৬-৮ ভাগে পৌঁছেছে এবং আগামী ১৬-১৮ মাসে রাডারের ব্যয়ও কাটিয়ে উঠা সম্ভব
হজরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) টাওয়ারের চালু হওয়ায় দেশের বেসামরিক বিমান চলাচলের খাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসছে। নতুন টাওয়ারের মাধ্যমে দেশের আকাশসীমায় নিরাপত্তা বাড়ছে এবং বিদেশি ফ্লাইট থেকে ওভারফ্লাইং চার্জের রাজস্বও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নতুন এটিসি টাওয়ার চালু হলে জানুয়ারি থেকে জুন মাসে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে, যা আগের তুলনায় ৮-১০ শতাংশ বেশি
- 📌 এয়ার কমডোর মো. নুর-ই-আলম বলেছেন, আগে প্রতি মাসে ৬০-৬১ কোটি টাকা আসত, বর্তমানে ৬৯-৭১ কোটি টাকার আশেপাশে রাজস্ব আসছে
- 📌 ফ্রান্সের থেলাস কোম্পানির রাডার বসানোর ব্যয় ৯৪২ কোটি টাকা, যা আগামী ১৬-১৮ মাসে রাজস্ব আয় থেকে কাটিয়ে উঠবে বলে আশা
- 📌 নতুন প্রযুক্তির কারণে বঙ্গোপসাগরের ওপরও রাজস্ব আদায় সম্ভব, আগে যা রাডারের আওতায় ছিল না
- 📌 ঢাকা থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব, ফলে কোনো ফ্লাইট রাডারের নজর এড়াতে পারবে না
📰 বিস্তারিত
হজরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন এটিসি টাওয়ারের মাধ্যমে দেশের আকাশসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। এয়ার কমডোর মো. নুর-ই-আলম জানান, নতুন টাওয়ারের মাধ্যমে দেশের আকাশপথ ব্যবহারকারী বিদেশি উড়োজাহাজ থেকে ওভারফ্লাইং চার্জ আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তিনি বলেন, “আপনারা বলছেন আমাদের রাজস্ব বেড়েছে। বিষয়টা হচ্ছে আমাদের রাজস্ব বাড়ার প্রবৃদ্ধির যে হার আছে ৬-৮ ভাগ। সেই হিসেবে রাজস্ব বাড়ছে।”
এয়ার কমডোর মো. নুর-ই-আলম আরও বলেন, “২০২৫ ও ২০২৬ সালের দিকে তাকালে দেখা যায়, আগে প্রতি মাসে যেখানে ৬০-৬১ কোটি টাকা আসত শুধু ওভারফ্লাইং-এর কথা বলছি, সেখানে বর্তমানে আমাদের ৬৯-৭১ কোটি টাকার আশেপাশে আসছে। ফ্রান্সের থেলাস কোম্পানির রাডার বসাতে সকারের ব্যয় হয়েছে ৯৪২ কোটি টাকা। বর্তমানে যা আয় হচ্ছে, আগামী ১৬-১৮ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ রাডারের ব্যয় তোলা সম্ভব বলে মনে করছেন তিনি।”
নতুন টাওয়ারের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের ওপরও রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। এয়ার কমডোর মো. নূর-ই-আলম জানান, “আমাদের বঙ্গোপসাগরের দিকে বিশাল জলরাশি আগে আমাদের রাডারের আওতায় সেভাবে ছিল না। বর্তমানে চট্টগ্রাম রাডার ইন্টিগ্রেটেড হওয়ার কারণে আমি দক্ষিণ দিকে বহুদূর পর্যন্ত রাডার কাভারেজ দিতে পারি। ফলে আমরা বঙ্গোপসাগরের ওপর যেসব রুট আছে, সেখান থেকেও রাজস্ব আদায় করতে পারব। নতুন এটিসি টাওয়ার ও আধুনিক নেভিগেশন চালুর ফলে ঢাকা থেকে প্রায় ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে কোনো ফ্লাইটের পক্ষে রাডারের নজর এড়িয়ে বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার সম্ভব নয়।”
"আমাদের রাজস্ব বাড়ার প্রবৃদ্ধির যে হার আছে ৬-৮ ভাগ। সেই হিসেবে রাজস্ব বাড়ছে। আগে প্রতি মাসে যেখানে ৬০-৬১ কোটি টাকা আসত, সেখানে বর্তমানে ৬৯-৭১ কোটি টাকার আশেপাশে আসছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হজরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা; বঙ্গোপসাগর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এয়ার কমডোর মো. নুর-ই-আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা (রাজস্ব), ৯৪২ কোটি টাকা (রাডার ব্যয়), ৬৯-৭১ কোটি টাকা (মাসিক রাজস্ব), ৩৫০ নটিক্যাল মাইল (আকাশসীমা পর্যবেক্ষণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!