📌 সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের রাত্রিযাপনের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রণালয় নতুন গাইডলাইন তৈরি করছে, যা আগামী ১৫ অক্টোবর প্রকাশিত হতে পারে। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার সাথে সাথে দ্বীপের বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখে নতুন নিয়ম তৈরি করা হচ্ছে
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের জন্য রাত্রিযাপনের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রণালয় নতুন গাইডলাইন তৈরি করছে, যা আগামী ১৫ অক্টোবর প্রকাশিত হতে পারে। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, পর্যটকদের যাতায়াত ও ভ্রমণসংক্রান্ত বিধিনিষেধে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করে সেন্ট মার্টিনে গিয়ে অল্প সময় অবস্থান করে আবার কক্সবাজারে ফিরে যাওয়া পর্যটকদের জন্য নতুন নিয়মের প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পরিবেশ মন্ত্রণালয় সেন্ট মার্টিনে রাত্রিযাপনের সুযোগ বাড়ানোর জন্য নতুন গাইডলাইন তৈরি করছে, যা আগামী ১৫ অক্টোবর প্রকাশিত হতে পারে
- 📌 পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি দ্বীপের বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখে নতুন নিয়ম তৈরি করা হচ্ছে
- 📌 ২০২৪ সালে জারি করা ১২টি নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু নভেম্বর মাসে দিনের বেলায় দ্বীপটি ভ্রমণের সুযোগ ছিল; ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে নির্দিষ্টসংখ্যক পর্যটককে রাত্রিযাপনের অনুমতি দেওয়া হত
- 📌 বর্তমান সরকার এসব বিধিনিষেধে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে, তবে পর্যটকের সংখ্যা বা ভ্রমণের সময়সীমা কতটা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি
- 📌 পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুরের সঙ্গে আলোচনা শেষে রাত্রিযাপনের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম
📰 বিস্তারিত
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের জন্য রাত্রিযাপনের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রণালয় নতুন গাইডলাইন তৈরি করছে, যা আগামী ১৫ অক্টোবর প্রকাশিত হতে পারে। পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি দ্বীপের বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখে নতুন নিয়ম তৈরি করা হচ্ছে।
২০২৪ সালের অক্টোবরে সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে পর্যটকদের জন্য ১২টি নির্দেশনা জারি করেছিল তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু নভেম্বর মাসে দিনের বেলায় দ্বীপটি ভ্রমণের সুযোগ ছিল। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে নির্দিষ্টসংখ্যক পর্যটককে রাত্রিযাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার এসব বিধিনিষেধে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করে সেন্ট মার্টিনে গিয়ে অল্প সময় অবস্থান করে আবার কক্সবাজারে ফিরে যাওয়া পর্যটকদের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। তিনি জানান, এ বিষয়ে পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুরের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং রাত্রিযাপনের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা চলছে। তবে পর্যটকের সংখ্যা বা ভ্রমণের সময়সীমা কতটা বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রতিমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য শুনে বৈঠকের মাধ্যমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বর্তমান বিধিনিষেধ অনুযায়ী, সেন্ট মার্টিনে আলোকসজ্জাসহ বারবিকিউ পার্টি আয়োজন, রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো ও শব্দ সৃষ্টি নিষিদ্ধ। পাশাপাশি দ্বীপের কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ বা কেনাবেচা এবং সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুকসহ বিভিন্ন জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করাও নিষিদ্ধ। এ ছাড়া সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ মোটরচালিত যানবাহন চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
"সবার আগে সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে। দ্বীপটির সুরক্ষা নিশ্চিত করেই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর (নতুন গাইডলাইন প্রকাশের তারিখ), ১২টি (২০২৪ সালের নির্দেশনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!