📌 সাতক্ষীরা জেলার ব্রহ্মরাজপুরের দুর্গাপ্রতিমা থেকে দেশলাই কাঠি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ১৫ অক্টোবর দুপুর ২টার মধ্যে কাঠি সরানোর সময়সীমা বসানো হয়েছে। শিল্পীদের সহযোগিতা নিশ্চিত করে নতুনভাবে প্রতিমা সাজানোর কাজ চলছে।
সাতক্ষীরা জেলার ব্রহ্মরাজপুরে অবস্থিত সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গাপূজা মন্দিরের বিখ্যাত দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা দিয়ে তৈরি দুর্গাপ্রতিমা থেকে দেশলাই কাঠি অপসারণের জন্য প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাওসার আজিজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) প্রতিমা পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ করে ১৫ অক্টোবর দুপুর ২টার মধ্যে কাঠি সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেলা প্রশাসক কাওসার আজিজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ১৫ অক্টোবর দুপুর ২টার মধ্যে ব্রহ্মরাজপুরের দুর্গাপ্রতিমা থেকে দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
- 📌 ১০ কেজির বেশি রেশমি সুতা এবং দেড় লাখের বেশি দেশলাই কাঠি দিয়ে তৈরি এই প্রতিমা থেকে কাঠি সরানোর কাজ বুধবার রাতেই শুরু হয়েছে।
- 📌 প্রতিমা তৈরির শিল্পী নবদ্বীপ সরকার ভারতের একটি মন্দিরের অনুপ্রেরণায় এই বিশেষ প্রতিমা তৈরি করেছিলেন।
- 📌 সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাসেম সহ স্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন পরিদর্শনে।
- 📌 আয়োজকদের দাবি: আগুনের ঝুঁকি মোকাবিলায় মণ্ডপে বালু ও পানি রাখা হয়েছে এবং লিখিত অঙ্গীকার দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ব্রহ্মরাজপুর সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাওসার আজিজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা জানিয়ে বলেন, "সকল নাগরিকের দায়িত্ব সরকারি নির্দেশনা পালন করা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশলাই কাঠি সরিয়ে নেওয়া না গেলে প্রশাসন আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।" তিনি শিল্পীদের সহযোগিতা নিশ্চিত করে নতুনভাবে প্রতিমা সাজানোর কাজে সহায়তা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রতিমা তৈরির শিল্পী নবদ্বীপ সরকার ভারতের একটি মন্দিরের অনুপ্রেরণায় এই বিশেষ প্রতিমা তৈরি করেছিলেন। প্রতিমায় দেড় লাখের বেশি দেশলাই কাঠি এবং ১০ কেজির বেশি রেশমি সুতা ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিমা দেখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দূরদূরান্তের মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে পূজার সময় ঘনিয়ে আসায় দেশলাই কাঠি অপসারণের নির্দেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। তারা বলেছেন, আগুনের ঝুঁকি মোকাবিলায় মণ্ডপে বালু ও পানি রাখা হয়েছে এবং লিখিত অঙ্গীকারও দেওয়া হয়েছে।
বুধবার রাতেই প্রতিমা থেকে দেশলাই কাঠি সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিমাটি নতুনভাবে সাজিয়ে প্রস্তুত করার কাজও চলছে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাসেম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় বাসিন্দা এবং মন্দির ও পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতারা।
"সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। অহেতুক জটিলতা বা ব্যক্তিগত অহমের বিষয় তৈরি করা উচিত নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রহ্মরাজপুর, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা, ধুলিহর ইউনিয়ন, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক কাওসার আজিজ, শিল্পী নবদ্বীপ সরকার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাসেম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর, দুপুর ২টা, ১৪ অক্টোবর, ১০ কেজি, দেড় লাখ দেশলাই কাঠি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!