📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাটির দেয়ালে ফুটে উঠল সাঁওতালের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের জীবন্ত গল্প

মাটির দেয়ালে ফুটে উঠল সাঁওতালের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের জীবন্ত গল্প

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাঙামাটিয়া গ্রামে মাটির ঘরের দেয়ালে আঁকা আলপনা শিল্পের মাধ্যমে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের জীবন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহির ইয়াসিরের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই গ্রামে ৬৭টি বাড়ির দেয়ালে আঁকা হয়েছে নানা গল্প

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রাঙামাটিয়া গ্রামে মাটির দেয়ালের গল্প বলছে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের জীবন। এই গ্রামে ঢুকতেই চোখে পড়ে মাটির ঘরের দেয়ালে আঁকা আলপনা শিল্প, যা প্রতিটি দেয়ালকে একটি জীবন্ত ক্যানভাসে পরিণত করেছে। এখানে শিকারি জীবনের দৃশ্য, নাচ-গানের চিত্র, ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের অবয়ব, প্রকৃতি ও উৎসবের দৃশ্য — সবই দেয়ালে দেয়ালে ফুটে উঠেছে। দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এখানে আসছেন এই জীবন্ত শিল্পকর্ম দেখতে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাঙামাটিয়া গ্রামে মাটির ঘরের ৬৭টি বাড়ির দেয়ালে আঁকা হয়েছে আলপনা শিল্প, যা সাঁওতাল সম্প্রদায়ের জীবন ও ঐতিহ্যকে দৃশ্যমান করেছে
  • 📌 বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহির ইয়াসিরের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই প্রকল্পের নেতৃত্বে ছিলেন, যিনি নিজস্ব অর্থায়নে এই কাজ সম্পন্ন করেছেন
  • 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় মাত্র তিন দিনে ৬৭টি বাড়ির দেয়ালে আলপনা আঁকা হয়েছে
  • 📌 স্থানীয় অধিবাসীরা প্রথমে বিরক্তি প্রকাশ করলেও পরে এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন
  • 📌 মাহির ইয়াসিরের লক্ষ্য হলো সাঁওতাল সম্প্রদায়ের হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করা

📰 বিস্তারিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রাঙামাটিয়া গ্রামে মাটির ঘরের দেয়ালগুলো এখন শিল্পের ক্যানভাসে পরিণত হয়েছে। এই গ্রামের শতাধিক মাটির ঘর মধ্যে ৬৭টি বাড়ির দেয়ালে আঁকা হয়েছে আলপনা শিল্প। এই শিল্পকর্মের মাধ্যমে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের জীবন, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ দৃশ্যমান হয়েছে। মাহির ইয়াসির, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রত্ননিদর্শন সংগ্রাহক, এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প শুরু করেছেন।

মাহির ইয়াসিরের এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কৌতূহল। ছোটবেলায় তিনি দেখেছিলেন তাঁর দাদার জমিতে চাষাবাদের কাজে আসতেন স্থানীয় সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মানুষেরা। তাঁদের জীবনযাপন ও আচরণ তাঁকে বিস্মিত করত। সময়ের সঙ্গে সেই কৌতূহল পরিণত হয় জানার আগ্রহে। তিনি উপলব্ধি করেন যে, আধুনিকতার দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনেক কিছু হারিয়ে যাচ্ছে। সেই উপলব্ধি থেকেই তিনি মাটির ঘরের দেয়াল বেছে নেন ক্যানভাস হিসেবে।

মাহির ইয়াসিরের মতে, আলপনা শিল্প শুধু দেয়ালের সাজসজ্জা নয়; এটি একটি জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বের নীরব দলিল। একসময় উৎসব-পার্বণে সাঁওতাল নারীরা মাটির ঘরের দেয়াল মাটি দিয়ে লেপে পরিষ্কার করতেন। এবার সেই ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিক রংতুলির শিল্প। ফলে পুরোনো ঐতিহ্য নতুন রূপে ফিরে এসেছে দেয়ালে দেয়ালে। আলপনা গ্রাম তৈরির কাজটি মোটেও সহজ ছিল না। গ্রামের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় আড়াই দিনে ৬৭টি বাড়ির দেয়ালে আলপনা আঁকার কাজ শেষ করা হয়েছে। দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন শিল্পীরা, শিক্ষার্থীরা ও স্বেচ্ছাসেবীরা।

"আলপনা শুধু দেয়ালের সাজসজ্জা নয়; এটি একটি জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বের নীরব দলিল।"

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আছেন রাশেদীন ইসলাম, ফাহিম ফয়সাল, বাবু রওজা, তুহিন, ইমন সাকিব, মাহফুজ আলী, হিমেল ঘোষ, আয়শা সিদ্দিকা ও দিলশাদ জাহান। তাঁদের রংতুলির ছোঁয়াতেই মাটির দেয়ালগুলোতে প্রাণ পায় নানা গল্প। স্থানীয় অধিবাসীরা প্রথমে বিরক্তি প্রকাশ করলেও পরে এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। স্থানীয় লুকাস হাসদা বলেছেন, ‘মাহির নিজ অর্থায়নে আমাদের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য দেয়ালে ফুটিয়ে তুলেছেন। এটা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। আলপনা আঁকার পর থেকে বহু জায়গার মানুষজন এই গ্রাম দেখতে আসছেন। তাতে আমাদেরও ভালো লাগছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাঙামাটিয়া গ্রাম, গোমস্তাপুর উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহির ইয়াসির, লুইস টুডু, লুকাস হাসদা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭টি বাড়ি, ৩৭ কিলোমিটার দূরত্ব

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖