📌 ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত শুরু হবে। দিনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার পর্যটক ভ্রমণে অনুমতি পাবেন এবং প্রত্যেকের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ফি ১০০ টাকা বাধ্যতামূলক। ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই ব্যবস্থা।
১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার পর্যটক দ্বীপটিতে যাতায়াতের অনুমতি পাবেন। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে। এই ব্যবস্থা ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত শুরু হবে, যা ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে
- 📌 প্রতিদিন ৩ হাজার পর্যটক দ্বীপে যাতায়াতের অনুমতি পাবেন
- 📌 প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে
- 📌 পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান চলাচল করবে না
- 📌 নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজের চলাচল অব্যাহত থাকবে
📰 বিস্তারিত
পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত নিয়ন্ত্রণের জন্য ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ রোববার পরিবেশ-২ শাখা থেকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্ট মার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না।
পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায়ের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরকে ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ২৬ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও, ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের নির্দেশাবলীও বহাল থাকবে। প্রজ্ঞাপনে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে দ্বীপটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় ওই মাসে পর্যটকরা সেখানে যেতে পারেননি। নভেম্বরে দ্বীপে রাত্রিযাপনের সুযোগ ছিল না। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাত্রিযাপনের সুযোগ রাখা হয়েছিল। প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ ও সেখানে রাত্রিযাপনের সুযোগ পেয়েছিলেন। চার বছর আগেও টেকনাফ থেকে প্রতিদিন ৯ থেকে ১১টি জাহাজে পাঁচ-ছয় হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিনে যেতেন। তবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নৌকাসহ বাংলাদেশিদের অপহরণসহ নানা ঘটনার কারণে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল।
"পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্ট মার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, কক্সবাজার, নুনিয়ারছড়া ঘাট, নাফ নদী, বঙ্গোপসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিএ, নৌপরিবহন অধিদপ্তর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার (পর্যটক), ১০০ টাকা (ফি), ১ নভেম্বর (শুরুর তারিখ), ১৫ মার্চ (শেষ তারিখ), ১২ অক্টোবর (সিদ্ধান্তের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!