📌 রাজধানীর ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে রাত সাড়ে ১০টায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা যন্ত্রপাতি, মোবাইল ও মানিব্যাগ লুট করে নেয়। সালমান দাবি করেন, বিএনপির লোকজন চাঁদা দাবি করে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করেছে
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে রাত সাড়ে ১০টায় হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা স্টুডিওতে থাকা যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ লুট করে নেয়। সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, বিএনপির লোকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সালমান ফেসবুক লাইভে স্টুডিওর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন এবং দাবি করেন, তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও সৃজনশীল কাজের জায়গাটি ধ্বংস হয়ে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ইসিবি চত্বরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
- 📌 হামলাকারীরা প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ লুট করে নেয়। স্টুডিওতে থাকা ৩০-৪০টি ক্লায়েন্টের শুটিং ফুটেজ ও সরঞ্জামও নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
- 📌 সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, বিএনপির লোকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা করেছে। তিনি দাবি করেন, হামলায় তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও সৃজনশীল কাজের জায়গাটি ধ্বংস হয়ে গেছে।
- 📌 ১ থেকে দেড়শ লোক হামলাকারীরা ছিল বলে জানা গেছে। তাদের হাতে ছিল চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র।
- 📌 সালমান মুক্তাদির বলেন, স্টুডিওতে থাকা কর্মচারীদের কোনো আহত হয়নি। তবে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এখনো স্পষ্ট নয়।
📰 বিস্তারিত
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা স্টুডিওতে থাকা যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায়। স্টুডিওর কর্মকর্তারা জানান, হামলাকারীরা স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে এবং টয়লেটেও গিয়ে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায়। স্টুডিওতে থাকা কর্মচারীদের কোনো আহত হয়নি বলে জানা গেছে।
সালমান মুক্তাদির ফেসবুক লাইভে ঘটনার বিবরণ দেন। তিনি বলেন, ‘আমার পক্ষ থেকে একটা মামলা করতে হবে, ফরমালিটির জন্য। ক্লায়েন্টদের ডেলিভারি ধরলে, ওরা তো ওদের জিনিসপত্র এখানে রেখে গেছে। ওদের বিভিন্ন ফুটেজ থেকে শুরু করে অনেকগুলো শুট এখানে করা হয়। একটা শুটে কত খরচ, সেটা আপনারা জানেন। সেখানে ৩০-৪০টা ক্লায়েন্ট যখন সবকিছু নিয়ে যায়, কত ক্ষতি হতে পারে- এটা চোখ বন্ধ করেও একটা ধারণা করা যায়।’
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের শুটিংয়ের ফুটেজ, সরঞ্জাম ও অন্যান্য কাজের উপকরণ রাখা ছিল। সেগুলো নিয়ে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বড় হতে পারে। তবে তিনি আর্থিক হিসাব-নিকাশের বিষয়টি পরিষ্কার না হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতির নির্দিষ্ট অঙ্ক বলতে চাননি।
সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘আমাদের স্টুডিও ডিস্ট্রয় হয়ে গেছে। বাংলাদেশে সৃজনশীল কাজ ও শিল্প-সংস্কৃতির জন্য এমন স্টুডিও খুব কমই ছিল এবং হামলায় সেটি ধ্বংস করা হয়েছে।’ তিনি দাবি করেন, বিএনপির লোকজন জড়িত বলে অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপির লোকজন যারা করছে, এটা তোমাদের চাঁদাবাজি। কেন তোমরা আমার ড্রিমটা নষ্ট করছো?’
"আমি থেমে থাকব না। আমি আমার প্যাশন চালিয়ে যাব। দেশ থেকে না হলে দেশের বাইরে থেকে চালিয়ে যাব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসিবি চত্বর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমান মুক্তাদির, স্টুডিও কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর, রাত সাড়ে ১০টা, ১-১.৫শ লোক, ৩০-৪০ ক্লায়েন্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!