📌 সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেএসএস-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরকারি পদক্ষেপের দাবিতে সহস্রাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা সড়ক অবরোধে অংশ নিচ্ছেন
সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ঘোষণা করা হয়েছে, যার ফলে সহস্রাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। সাজেক-দীঘিনালা সড়কে রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ পালন করছেন, যার ফলে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালা যাত্রীগণ চলাচল করতে পারছেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ অক্টোবর রবিবার সকাল থেকে সাজেক-দীঘিনালা সড়ক অবরোধিত, যান চলাচল বন্ধ
- 📌 সহস্রাধিক পর্যটক সাজেকে আটকা পড়েছেন, নতুন পর্যটক প্রবেশে অনিশ্চয়তা
- 📌 জেএসএস নামধারী সশস্ত্র গোষ্ঠী সাজেকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে অবরোধের ডাক
- 📌 বিজয় কান্তি চাকমা বলেছেন, সরকার তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নিলে অবরোধ অব্যাহত থাকবে
- 📌 সেনাবাহিনীর সহায়তায় দুপুরে আটকা পর্যটকরা সাজেক ত্যাগ করবেন
📰 বিস্তারিত
সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও গণ অধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কে অবরোধ শুরু হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব বিজয় কান্তি চাকমা একটি বিজ্ঞপ্তিতে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ঘোষণা করেন। বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) নামধারী একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সাজেকে ধারাবাহিকভাবে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়া এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করা হয়েছে।
বিজয় কান্তি চাকমা বলেছেন, ‘জেএসএস-সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আমরা অবরোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকার তাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ পালন করা হচ্ছে। এর ফলে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালা যাত্রীগণ চলাচল করতে পারছেন না।
সাজেক পর্যটনকেন্দ্রের লাইনম্যান মো. ইয়াছিন আরাফাত জানান, শনিবার সরকারি নিরাপত্তা বহর বা স্কর্টের সঙ্গে শতাধিক যানবাহনে সহস্রাধিক পর্যটক সাজেকে প্রবেশ করেছেন। বর্তমানে সাজেকে সহস্রাধিক পর্যটক রয়েছেন। সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সহসভাপতি চাই থোয়াই চৌধুরী জয় বলেন, বর্তমানে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পর্যটকরা সাজেক ত্যাগ করবেন। নতুন পর্যটক প্রবেশের বিষয়ে বাঘাইহাট সেনাজোন পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবেন। তবে যারা সাজেকে আছেন, তাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই।
"জেএসএস নামধারী সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আমরা এই অবরোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকার তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাজেক, চট্টগ্রাম; বাঘাইছড়ি, গঙ্গারাম উঁচাবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজয় কান্তি চাকমা (সজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব), মো. ইয়াছিন আরাফাত (সাজেক লাইনম্যান), চাই থোয়াই চৌধুরী জয় (সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সহসভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সহস্রাধিক পর্যটক; শতাধিক যানবাহন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!