📌 রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধ প্রত্যাহার হলেও জেলা প্রশাসন পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে। ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে পর্যটকদের ১৩ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে সাজেক ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবরোধের পিছনে ছিল পিসিজেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি।
রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধ প্রত্যাহার হলেও পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে জেলা প্রশাসন পর্যটকদের সাজেক ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পর্যটকদের ১৩ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে সাজেক ত্যাগ করে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধ প্রত্যাহার হলেও পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তে
- 📌 সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সমর্থকরা সকাল ৬টার পর থেকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেছিল
- 📌 অবরোধের কারণে সকাল থেকে সাজেক প্রবেশ ও বের হওয়া পর্যটকদের জন্য ভোগান্তি দেখা দেয়
- 📌 রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনীর বিশেষ এসকর্টে প্রায় ১ হাজার ২০০ পর্যটক সাজেক ছেড়ে যান
- 📌 অবরোধের কারণ ছিল পিসিজেএসএসের সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি
- 📌 বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান বলেছেন, বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক আটকা নেই
📰 বিস্তারিত
রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধ প্রত্যাহার হলেও পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে জেলা প্রশাসন পর্যটকদের সাজেক ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পর্যটকদের ১৩ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে সাজেক ত্যাগ করে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সকাল ৬টার পর থেকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কের গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং ও অবরোধ করেছিল সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সমর্থকরা। এর ফলে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালাগামী যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পর্যটকদের সাজেক প্রবেশ ও বের হওয়া ক্ষেত্রে ভোগান্তি দেখা দেয়। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনীর বিশেষ এসকর্টে সাজেক ছেড়ে যান আটকে পড়া প্রায় ১ হাজার ২০০ পর্যটক। একই সময়ে ৫৮টি চাঁদের গাড়িসহ শতাধিক যানবাহন সাজেকে প্রবেশ করে। এসব পরিবহনে প্রায় এক হাজার পর্যটক সাজেকে পৌঁছান বলে জানা গেছে।
সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জানান, দুপুরে বিশেষ নিরাপত্তায় পর্যটকেরা সাজেক ছেড়েছেন। একই সময়ে আরও পর্যটকবাহী যান সাজেকে প্রবেশ করেছে। তবে নতুন করে সাজেকে প্রবেশ করা পর্যটকের সঠিক সংখ্যা তখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান বলেন, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক আটকা নেই। প্রশাসন সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।
অবরোধের কারণ হিসেবে সাজেক থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন অংশের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সশস্ত্র সদস্যদের গ্রেপ্তারের দাবিও ছিল। তাদের অভিযোগ, সাজেকে ধারাবাহিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। শনিবার দুপুরে সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা যৌথ বিবৃতিতে অবরোধ কর্মসূচির কথা জানান।
"সাজেকের বিভিন্ন এলাকায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর প্রভাব রয়েছে। সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটিকে ইউপিডিএফ-সমর্থিত সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাঙ্গামাটি, সাজেক, গঙ্গারাম, বাঘাইছড়ি, পার্বত্য চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি, রাহুল চাকমা, আমেনা মারজান, নতুন জয় চাকমা, বাবুধন চাকমা, সন্তু লারমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ অক্টোবর, ৬টা, ১৩ অক্টোবর, ৫টা, ১ হাজার ২০০ পর্যটক, ৫৮টি গাড়ি, ৮ অক্টোবর, ৪৮ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!