📌 পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষে বলেছেন, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রথম শিক্ষক মায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মাদকাসক্ত তরুণদের সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন এবং খেলাধুলা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা জোরালোভাবে উল্লেখ করেছেন
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বিশ্ব শিশু দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সামাজিক প্রতিরোধের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, শিশু-কিশোরদের মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য মায়েদের ভূমিকা অপরিহার্য। মন্ত্রী বলেন, পরিবার থেকে শুরু করে সমাজে মায়েদের যথাযথ সম্মান দেওয়া দরকার, কারণ সন্তানরা সবচেয়ে বেশি শিক্ষা পায় তাদের কাছ থেকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাদকমুক্ত বাংলাদেশের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু মাদকাসক্ত তরুণদের সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।
- 📌 মায়ের ভূমিকা মন্ত্রী বলেছেন, শিশুদের প্রথম শিক্ষক হিসেবে মায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার ও সমাজে মায়েদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
- 📌 খেলাধুলার ভূমিকা মন্ত্রী নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকায় তিনি মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থাকতে পেরেছেন।
- 📌 সীমান্ত এলাকার উদ্বেগ কক্সবাজার ও বান্দরবানসহ সীমান্তবর্তী এলাকার তরুণদের মাদকাসক্তির বিষয়টি উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
- 📌 গণমাধ্যমের দায়িত্ব মাদকের ক্ষতিকর দিক নিয়ে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী।
- 📌 শিশুদের শৃঙ্খলাবোধ জাপানের শিশুদের শৃঙ্খলাবোধের উদাহরণ দিয়ে বাংলাদেশের শিশুদেরও ভালো কিছু শেখার মানসিকতা তৈরি করতে বলেছেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুরুল হক ভিআইপি কনফারেন্স হলে ‘বিশ্ব শিশু দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেছেন, শিশু, কিশোর ও তরুণরা হলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তিনি বলেন, মাদকমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রথম শিক্ষক হিসেবে মায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, সন্তানরা সবচেয়ে বেশি শিক্ষা পায় পরিবার থেকে, বিশেষ করে মায়ের কাছ থেকে। পারিবারিক শৃঙ্খলা ও ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে তুলতে মায়েদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে বলেন, খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকায় তিনি নানা ধরনের খারাপ নেশা ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থাকতে পেরেছেন। কিন্তু বর্তমানে তরুণ ও যুব সমাজের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে, যা উদ্বেগের বিষয়।
মন্ত্রী কক্সবাজার ও বান্দরবানসহ সীমান্তবর্তী এলাকার তরুণদের মাদকাসক্তির প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, তাদের এ অবস্থা থেকে ফিরিয়ে আনতে সামাজিক উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে মাদকের ক্ষতিকর দিক নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালানো দরকার। ইতোমধ্যে যারা মাদকে আসক্ত হয়েছেন, সামাজিক প্রতিরোধ ও সহযোগিতার মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে।
মন্ত্রী জাপানের শিশুদের শৃঙ্খলাবোধের উদাহরণ দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের শিশুদেরও ভালো কিছু শেখা ও জানার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে সরকারের বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
"শিশু, কিশোর ও তরুণরাই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। সন্তানরা সবচেয়ে বেশি শিক্ষা পায় পরিবার থেকে, বিশেষ করে মায়ের কাছ থেকে। পারিবারিক শৃঙ্খলা ও ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে তুলতে মায়েদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ অক্টোবর (আয়োজিত অনুষ্ঠানের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!