📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রূপপুরে ২০ নভেম্বর থেকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে: রোসাটমের আশা

রূপপুরে ২০ নভেম্বর থেকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে: রোসাটমের আশা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাশিয়ার রোসাটম সংস্থা জানিয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ২০ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। এছাড়াও বাংলাদেশের সঙ্গে পারমাণবিক জ্বালানি প্রকল্পের সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা চলছে

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের আশায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আগামী ২০ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। রাশিয়া সফরকালে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে বৈঠকে রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ এই তথ্য জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ২০ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে বলে আশা করছে রোসাটম
  • 📌 রাশিয়া-বাংলাদেশ যৌথ পারমাণবিক জ্বালানি প্রকল্পের সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা চলছে
  • 📌 রূপপুরে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা থাকবে
  • 📌 ২০১১ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তির ভিত্তিতে রোসাটম রূপপুর নির্মাণ করছে
  • 📌 বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী রোসাটমের ছোট আকারের ও ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন

📰 বিস্তারিত

রোববার (১১ অক্টোবর) রোসাটমের মিডিয়া উইংয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়ার মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ বলেছেন, রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে প্রকল্পের সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের।

২০১১ সালে স্বাক্ষরিত আন্ত:সরকারি চুক্তির ভিত্তিতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে রোসাটম। কেন্দ্রটিতে দুটি ইউনিট থাকবে, যার প্রতিটি ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা রাখবে। এপ্রিলের শেষ দিকে প্রথম ইউনিটে ভৌত সূচনা কার্যক্রম শুরু হয়। গত ২৮ এপ্রিল ইউনিটটিতে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু হয়, যা প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ সূচনা প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ ছিল।

বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের রোসাটমের আরও কিছু প্রস্তাব সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ছোট আকারের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রোসাটম অন্যান্য দেশের জন্যও এসব প্রযুক্তি নিয়ে সমন্বিত প্রস্তাব দেয়।

"পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রত্যাশা প্রকল্প সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পাবনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলেক্সেই লিখাচেভ (রোসাটমের মহাপরিচালক), ফকির মাহবুব আনাম (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ নভেম্বর (উৎপাদন শুরু), ২৮ এপ্রিল (জ্বালানি লোডিং), ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট (উৎপাদন ক্ষমতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖