📌 রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে শনিবার (৩ অক্টোবর) রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো বিমানে আনা হবে পারমাণবিক জ্বালানি। প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিং এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য মোট নয়টি কার্গোতে জ্বালানি পরিবহিত হবে। নিরাপত্তা ও প্রস্তুতির কারণে আগের সময়সূচী পরিবর্তিত হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অত্যন্ত নিরাপত্তাব্যবস্থায় শনিবার (৩ অক্টোবর) রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো বিমানে আনা হবে পারমাণবিক জ্বালানি। প্রকল্পের সাথে জড়িত এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জ্বালানি পৌঁছাবে। এরপর শনিবার কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তা রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শনিবার (৩ অক্টোবর) রূপপুরে পৌঁছাবে রাশিয়া থেকে আনা পারমাণবিক জ্বালানি
- 📌 বিশেষ কার্গো বিমানে সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকায় পৌঁছাবে জ্বালানি
- 📌 মোট নয়টি কার্গোতে পরিবহিত হবে জ্বালানি: দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি, প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি
- 📌 রাশিয়া ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো জ্বালানি সরবরাহ সম্পন্ন করবে
- 📌 প্রথম ইউনিটের জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হলেও উৎপাদন শুরুতে জটিলতা দেখা দিয়েছে
- 📌 সেফটি ভালভের ত্রুটি মেরামতের পর পরীক্ষা চলছে
- 📌 কার্গো বিমানটি কাজাখস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে আসবে
- 📌 রূপপুরের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২ হাজার মেগাওয়াট
📰 বিস্তারিত
প্রকল্পের সাথে জড়িত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগের সময়সূচী অনুযায়ী বৃহস্পতিবার জ্বালানি পরিবহনের কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তা শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ঢাকায় পৌঁছাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে জ্বালানি পরিবহনে আর কোনো জটিলতা নেই। রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি—মোট নয়টি কার্গোতে পারমাণবিক জ্বালানি দেশে আনা হবে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন (রসাটম) জানিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো জ্বালানি সরবরাহ সম্পন্ন হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই পারমাণবিক জ্বালানি বিশেষ কার্গো বিমানে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দেশে আনা হচ্ছে।
প্রথম ইউনিটে ইতোমধ্যে জ্বালানি লোড করা হয়েছে, তবে প্রায় দেড় বছর পর ওই ইউনিটের ব্যবহৃত জ্বালানির এক-চতুর্থাংশ পরিবর্তন করতে হবে। এ কারণে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আগাম আনা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম তিন বছর রাশিয়া জ্বালানি সরবরাহ করবে। এরপর নির্ধারিত সময় পরপর জ্বালানি পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশকে তা আমদানি করতে হবে।
সেফটি ভালভে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রথম ইউনিটের উৎপাদন শুরুতে জটিলতা দেখা দিয়েছিল। বুধবার সেফটি ভালভের মেরামতকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে এনপিসিবিএলের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এসব পরীক্ষা সফল হলে প্রথম ইউনিটে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণ ও কমিশনিং কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে।
"বৃহস্পতিবার জ্বালানি পরিবহনের জন্য রাশিয়া ও বাংলাদেশ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেও বিশেষ কারণে তা একদিন পিছিয়ে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর), রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১.০০ টা (রাত), ৩ অক্টোবর (শনিবার), ২ হাজার মেগাওয়াট (উৎপাদন ক্ষমতা), ৯টি কার্গো (জ্বালানি পরিবহন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!