📌 রংপুরে চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা ও আসামি সিদ্ধার্থ দাসের পরনে একই রকম শার্ট দেখা যায়। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও সন্দেহের মুখে পড়েছে পুলিশ প্রশাসন
রংপুরে সংঘটিত চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তা ও হত্যার আসামি সিদ্ধার্থ দাসের পরনে প্রায় অভিন্ন ডিজাইনের শার্ট দেখা যায় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার মুখে পড়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের দাসপাড়া এলাকায় চার হত্যাকাণ্ড ঘটে ২২ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টায়
- 📌 হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি প্রধান সনাতন চক্রবর্তী
- 📌 আদালতে নেওয়ার সময় আসামি সিদ্ধার্থ দাসের পরনে ছিল একই রকম শার্ট
- 📌 আসামির পরিবার দাবি করেছে, ঘটনাস্থলে তাকে কালো গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় দেখা গিয়েছিল
- 📌 ডিবি প্রধান সনাতন চক্রবর্তী দাবি করেছেন, তার শার্টের সঙ্গে আসামির শার্টের কোনো সম্পর্ক নেই
📰 বিস্তারিত
রংপুরের দাসপাড়া এলাকায় গত ২২ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টায় চার ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৩) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম (১২)। পুলিশ জানায়, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় হত্যাকাণ্ড ঘটায় সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২৩)।
ঘটনার পরদিন আদালতে নেওয়ার সময় আসামি সিদ্ধার্থ দাসের পরনে ছিল একটি বিশেষ ডিজাইনের শার্ট। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তীর পরনেও ছিল প্রায় একই রকম শার্ট। এই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে পুলিশ প্রশাসন।
আসামির বড় ভাই পার্থ দাস বলেন, ‘ভোরে পুলিশ যখন আমার ভাইকে আটক করে, তখন তার গায়ে ছিল কালো গেঞ্জি। তার কখনও এই রকম শার্ট ছিল না।’ সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাসও একই দাবি করেন। স্থানীয় বাসিন্দা শিবু দাস বলেন, ‘আদালতে নেওয়ার সময় আসামির গায়ে যে শার্ট ছিল, তা তাকে আগে কখনও পরতে দেখিনি।’
‘আসামির পরনে যে শার্ট ছিল, সেটি দেখতে আমার শার্টের মতোই রং। আমার শার্টটি এখনও আমার গায়ে আছে, আর আসামির শার্টটি তার গায়েই আছে। আমার শার্টটি আড়ং থেকে কিনেছিলাম। অনেকের কাছেই একই ডিজাইনের শার্ট থাকতে পারে। তবে তার শার্টের সঙ্গে আমার শার্টের কোনো সম্পর্ক নেই।’
ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর জেলার দাসপাড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সনাতন চক্রবর্তী, সিদ্ধার্থ দাস, পার্থ দাস, বিনয় দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (হত্যাকাণ্ড), ২২ (আগস্ট), ৬৫, ৫০, ২৩, ১২, ১৯, ১৬৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!