📌 রংপুরে এক পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন আসামিরা
রংপুর মহানগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই যুবক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার পর বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস (২৩) ও মুগ্ধ দাস (১৯) হত্যার দায় স্বীকার করেছেন
- 📌 রংপুর মহানগর হাকিম আদালতে রোববার সন্ধ্যা ৭টায় জবানবন্দি দেওয়া হয়
- 📌 দিবাগত রাত দেড়টায় আসামিদের রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়
- 📌 হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন আসামিরা, তবে তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা হয়নি
- 📌 নিহতদের মধ্যে ছিলেন গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৩) ও ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী (১২)
📰 বিস্তারিত
রংপুর মহানগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় দুই যুবক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার পর বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রংপুর মহানগর হাকিম আদালতে জবানবন্দি দেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি জানান, আসামিরা নিজেদের দায় স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। জবানবন্দিতে তারা হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে সেসব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। শনিবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনরত দুই আসামি শব্দ শুনে গণপতি চক্রবর্তী ছাদে গেলে গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। চিৎকার শুনে স্ত্রী প্রীতিলতা ও মেয়ে আগামীকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। পরে ঘুমন্ত অবস্থায় শিশু প্রীয়মকে কাপড় পেঁচিয়ে ও বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়।
"হত্যার পর খুনিরা বাড়িতে গোসল করে, খেজুর ও শসা খায় এবং কিছু স্বর্ণালংকার নিয়ে একটি মন্দিরের পেছনে লুকিয়ে রাখে, যা পরে উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত ভিন্ন খাতে নিতে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখে এবং আঙুলের ছাপ মুছতে মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট পানিতে ভিজিয়ে রাখে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর মহানগর, মাছুয়াপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, ২ জন আসামি গ্রেফতার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!