📌 যশোরের কেশবপুরে অনুমোদনবিহীন শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে একটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ২ লাখ টাকা জরিমানা করে এবং ভেজাল পণ্যগুলো বিনষ্ট করে দেয়
যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায় অনুমোদনবিহীন শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে একটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে কেশবপুর পৌর শহরের গমপট্টি এলাকার একটি স্টোরে অভিযান চালিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ২ লাখ টাকা জরিমানা করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের কেশবপুরে অনুমোদনবিহীন শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ী স্বপন কুমার দাসকে জরিমানা করা হয়
- 📌 জিরাচিফ, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বেনামি জুসসহ বিভিন্ন ভেজাল শিশু খাদ্য ও পানীয় পাওয়ার কারণে জরিমানা
- 📌 ভোক্তা অধিকার আইনের ৩৭, ৪৩ ও ৪৫ ধারায় ৫০ হাজার, ১ লাখ ও ৫০ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়
- 📌 অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সুশান্ত কুমার ও পুলিশ সদস্যরা
- 📌 ভেজাল পণ্যগুলো জনসম্মুখে বিনষ্ট করা হয়
📰 বিস্তারিত
যশোর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গমপট্টি এলাকার ইত্যাদি স্টোরে অনুমোদনবিহীন বিভিন্ন শিশু খাদ্য ও পানীয় পাওয়ার কারণে জরিমানা করা হয়। এতে জিরাচিফ, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বেনামি জুসসহ বিভিন্ন ধরনের ভেজাল খাদ্যপণ্য পাওয়া যায়।
জরিমানার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা, ৪৩ ধারায় ১ লাখ টাকা এবং ৪৫ ধারায় ৫০ হাজার টাকা। মোট জরিমানা পরিমাণ হয় ২ লাখ টাকা। অভিযানে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা ভেজাল পণ্যগুলো জনসম্মুখে বিনষ্ট করে দেন।
সেলিমুজ্জামান বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ হলে আইন অনুযায়ী আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।
"গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় প্রতিষ্ঠানটিতে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় লাইসেন্সবিহীন বিভিন্ন শিশু খাদ্য ও পানীয় পাওয়া যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেশবপুর পৌর শহর, গমপট্টি এলাকা, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বপন কুমার দাস (ব্যবসায়ী), সেলিমুজ্জামান (সহকারী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ টাকা (জরিমানা), ২৮ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ২ টা (দুপুর), ৫০ হাজার টাকা (৩৭ ধারা), ১ লাখ টাকা (৪৩ ধারা), ৫০ হাজার টাকা (৪৫ ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!