📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ছাত্র হলে বাঁশের মাচা ভেঙে পড়ে আহত শ্রমিক, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ছাত্র হলে বাঁশের মাচা ভেঙে পড়ে আহত শ্রমিক, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ছাত্র হল-২-এর ভবনে প্লাস্টারের কাজে বাঁশের মাচা ভেঙে পড়ে এক শ্রমিক আহত হন। নিরাপত্তা সামগ্রী ব্যবহার না করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নির্মাণকাজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ছাত্র হল-২-এর ভবনে বাঁশের মাচা ভেঙে পড়ে এক শ্রমিক আহত হন। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ঘটনাটি ঘটে। আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ছাত্র হল-২-এর ভবনে বাঁশের মাচা ভেঙে পড়ে একজন শ্রমিক আহত হন।
  • 📌 আহত শ্রমিকের নাম রসুল। অন্য শ্রমিকেরা বাঁশের সঙ্গে ঝুলে থাকলেও সুস্থ ছিলেন।
  • 📌 নিরাপত্তা সামগ্রী ব্যবহার না করার অভিযোগ উঠেছে। শ্রমিকদের বলা হয়, মাথায় হেলমেট বা শরীরে নিরাপত্তাবেল্ট ছিল না।
  • 📌 নির্মাণকাজের প্রকৌশলী মুন্না আহমেদ বলেন, শ্রমিকরা নিজেদের সুবিধার জন্য নিরাপত্তা সামগ্রী ব্যবহার করেন না।
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক মিয়া জানান, শ্রমিকরা নিরাপত্তা নির্দেশনা মানছেন না। পরবর্তীতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
  • 📌 ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর ও ২০২০ সালের ১৯ অক্টোবরেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজে শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে।

📰 বিস্তারিত

বুধবার সকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ছাত্র হল-২-এর ভবনে প্লাস্টারের কাজে বাঁশের মাচায় উঠে শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। হঠাৎ বাঁশের বাঁধন ছুটে মাচার একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে দুই শ্রমিক ভবনের চতুর্থ তলা থেকে নিচে পড়ে যান। তাদের মধ্যে একজন শ্রমিক আহত হন। অন্য শ্রমিকরা বাঁশের সঙ্গে ঝুলে থাকলেও পরে তারা সুস্থ ছিলেন। আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শ্রমিকদের কারও শরীরে নিরাপত্তাবেল্ট ছিল না এবং মাথায় হেলমেটও দেখা যায়নি। শ্রমিকদের অভিযোগ, বাঁশের মাচা যথাযথভাবে বাঁধা না থাকায় হঠাৎ সেটি ভেঙে পড়ে। তারা দাবি করেন, কাজের সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সামগ্রী সরবরাহ করা হয় না।

মাইশা কনস্ট্রাকশন কর্তৃপক্ষের দাবি, শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তা সামগ্রী সরবরাহ করা হলেও তারা নিজেদের সুবিধার জন্য সেগুলো ব্যবহার করেন না। প্রকল্প প্রকৌশলী মুন্না আহমেদ বলেন, ‘আহত শ্রমিককে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তিনি তেমন গুরুতর আহত হননি। নিরাপত্তার বিষয়ে শ্রমিকেরা কখনো কোনো অভিযোগ করেননি। নিরাপত্তার জন্য সরঞ্জাম থাকলেও তাঁরা ব্যবহার করছেন না। তাঁদের নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন করা হয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক মিয়া বলেন, ‘শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার বলা হয়েছে এবং চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁরা এসব নির্দেশনা মানছেন না। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আমরা আরও কঠোর পদক্ষেপ নেব।’

মন্তব্য্য করা যায়, এর আগেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর দ্বিতীয় প্রশাসন ভবনে পাইলিংয়ের কাজ করার সময় মো. ওবাইদুর রহমান (৪০) নামের এক শ্রমিক নিহত হন। এর আগে ২০২০ সালের ১৯ অক্টোবর ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে মনিরুল ইসলাম (২৪) নামের আরেক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

“আহত শ্রমিককে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তিনি তেমন গুরুতর আহত হননি। নিরাপত্তার বিষয়ে শ্রমিকেরা কখনো কোনো অভিযোগ করেননি। নিরাপত্তার জন্য সরঞ্জাম থাকলেও তাঁরা ব্যবহার করছেন না। তাঁদের নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন করা হয়।”
“শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার বলা হয়েছে এবং চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁরা এসব নির্দেশনা মানছেন না। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আমরা আরও কঠোর পদক্ষেপ নেব।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহত শ্রমিক (রসুল), প্রকৌশলী মুন্না আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক মিয়া, মো. ওবাইদুর রহমান (৪০), মনিরুল ইসলাম (২৪)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ অক্টোবর, সাড়ে ১০টা, ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর, ২০২০ সালের ১৯ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖