📌 বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১০ হাজার ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। অভিযানে পালিয়ে যান সন্দেহভাজন চোরাকারবারি জিয়াউর রহমান। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবাগুলো বার্মিজ উৎসের বলে ধারণা করা হচ্ছে
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় বিজিবির বিশেষ অভিযানে ১০ হাজার ১৫ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর একটি টহলদল এই অভিযান পরিচালনা করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযান চালানো হয় নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়কের নির্দেশে
- 📌 উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো পাওয়া যায় জিয়াউর রহমানের বাড়ির আশপাশে
- 📌 অভিযানের সময় পালিয়ে যান জিয়াউর রহমান (৩২), যিনি কক্সবাজারের রামু উপজেলার বাসিন্দা
- 📌 ইয়াবাগুলো বার্মিজ উৎসের বলে ধারণা বিজিবির
📰 বিস্তারিত
বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। অভিযানটি পরিচালিত হয় নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের নির্দেশে। অভিযানকালে উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান সন্দেহভাজন চোরাকারবারি জিয়াউর রহমান। তিনি কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বালুবাসা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।
অভিযান চলাকালে বিজিবি সদস্যরা জিয়াউর রহমানের বাড়ি ও আশপাশ এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাখা ১০ হাজার ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যগুলো বার্মিজ উৎসের বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিজিবি সূত্র জানায়, অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদক পাচার প্রতিরোধের লক্ষ্যে।
‘দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ — লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির, অধিনায়ক, নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির, জিয়াউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার ১৫ পিস ইয়াবা, ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!