📌 রংপুরের কাউনিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত যুবক পলাশ মিয়া (২৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে হারাগাছ থানায় হত্যা মামলা হয়েছে
রংপুরের কাউনিয়ায় প্রতিপক্ষের নির্মম মারধরে গুরুতর আহত যুবক পলাশ মিয়া (২৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ বুধবার ভোর ৫টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় হারাগাছ থানায় হত্যা মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পলাশ মিয়া (২৭) প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান
- 📌 ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোজাহার আলী ও তাঁর দুই ছেলেসহ সাতজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
- 📌 মোজাহারের আত্মীয় সোনা মিয়া প্রথমে পলাশকে মারধর করেন, পরে দলবদ্ধভাবে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়
- 📌 পলাশের মা আকলিমা খাতুন দাবি করেন, শত শত লোক উপস্থিত থাকলেও কেউ প্রতিবাদ করেননি
📰 বিস্তারিত
রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলার সারাই ইউনিয়নের আরাজি বিরচরণ গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে পলাশ মিয়া। ঘটনার সূত্র ধরে জানা যায়, তাঁর চাচা জাফর একই এলাকার জমি গোপনে ক্রয়ের চেষ্টা করেন। পরে ১০ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যায় সাহেবগঞ্জ বাজারে জমি ক্রয়ের বিষয়ে জানতে চান পলাশ। ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মোজাহার আলী। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হলে চাচা জাফর সেখানে গিয়ে পলাশকে মারধর করেন।
এরপর মোজাহার তাঁর দুই ছেলে সাব্বির, সজিবসহ আত্মীয়দের ঘটনার কথা জানালে রাতেই পলাশ ও তাঁর মা সাহেবগঞ্জ মাছের বাজারে টাকার জন্য যান। সেখানে মোজাহারের আত্মীয় সোনা মিয়া প্রথমে পলাশকে মারধর করেন। আত্মরক্ষায় পলাশ তিনমাথা মোড়ে দৌড়ে গেলে মোজাহার ও তাঁর দলবল লোহার রড, এসএস পাইপসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে।
চিৎকার শুনে পলাশের মা ও মেজ ভাই আশরাফুল এগিয়ে গেলে তাঁদেরও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত পলাশকে উদ্ধার করে হারাগাছ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সোমবার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
‘ছেলে শুধু জানতে চেয়েছিল তাঁদের অংশীদারি জমি কেন চাচার কাছ থেকে গোপনে ক্রয়ের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। জানতে চাওয়া কি আমার ছেলের অপরাধ ছিল? আর এ জন্য আমার সামনে ছেলেটাকে নির্মমভাবে মারধর করেছে তারা।’ — আকলিমা খাতুন, নিহত পলাশের মা
পলাশের মা আরও বলেন, ‘সে সময় বাজারে শত শত লোক ছিল, কেউ এগিয়ে আসেনি। প্রতিবাদ করলে হয়তো আমার ছেলেটা বেঁচে যেত।’ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাউনিয়া, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পলাশ মিয়া (২৭), মোজাহার আলী, আকলিমা খাতুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ বছর, ১০ আগস্ট, ৫টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!