📌 রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় প্রকৃত আসামি গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হলে আগামী শুক্রবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন
রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রকৃত আসামি গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হলে আগামী শুক্রবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। একইসঙ্গে তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রশাসনের উচ্চ মহলের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের দায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘাড়ে চাপিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে
- 📌 ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকৃত আসামি গ্রেপ্তার না হলে আগামী শুক্রবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে হিন্দু মহাজোট
- 📌 হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে সংগঠনটি
- 📌 হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার দুই তরুণের জামার সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার জামা মিলে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন গোবিন্দ প্রামাণিক
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবি করেছেন হিন্দু মহাজোট নেতারা
📰 বিস্তারিত
রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকায় গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১৩) নামে চার সদস্যের পরিবারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতারা। তারা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের উচ্চ মহল থেকে শুরু থেকেই হত্যাকাণ্ডের দায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘাড়ে চাপিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, ‘প্রশাসনের উচ্চ মহল থেকে প্রথম থেকেই রংপুরে এক পরিবারের চারজনকে হত্যার দায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘাড়ে দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকৃত আসামি গ্রেপ্তার না করা হলে আগামী শুক্রবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে হিন্দু মহাজোট।’
২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকার একটি বাড়ি থেকে চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২৩) নামের দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গোবিন্দ প্রামাণিক অভিযোগ করেন, ‘গ্রেপ্তার দুই আসামির সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা আমলে নেওয়া হচ্ছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যা থেকে পরদিন দুপুর পর্যন্ত অচেনা বিভিন্ন মোটরসাইকেলে অচেনা লোকজন অপেক্ষা করেছে, টহল দিয়েছে, রেকি করেছে; কিন্তু পুলিশ সেদিকে নজর দিচ্ছে না।’ তিনি দাবি করেন, ‘পুলিশ ওই দুই আসামির ঘাড়ে দায় চাপিয়ে পুরো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।’
গোবিন্দ প্রামাণিক বলেন, ‘যারা অত্যুৎসাহী হয়ে পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিচ্ছে, তাদের অব্যাহতি দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। কাদের ইশারায়, কাদের কথায় তারা ধামাচাপা দিচ্ছে, তা জিজ্ঞাসাবাদে বের করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের এই তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে। প্রশাসনের উচ্চ মহল থেকে প্রথম থেকেই হিন্দুদের ঘাড়ে দায় দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
"কোনো লুকোচুরি, কোনো ধামাচাপা এই দেশের জনগণ মেনে নেবে না। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। কারা দোষী তাদের চিহ্নিত করতে হবে এবং বিচার করতে হবে। সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।"
মানববন্ধন ও সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবি করা হয়। সংগঠনটির সভাপতি দীনবন্ধু রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে নির্বাহী সভাপতি প্রদীপ কুমার পালসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর নগরের কামালকাছনা এলাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, গণপতি চক্রবর্তী পরিবার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন নিহত, ২ জন গ্রেপ্তার, ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!