📌 রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নাগরিক কমিটি। তারা বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে হত্যাকাণ্ডের আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা আদালতে দাঁড়াবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি। তারা ঘটনার তদন্তে ১৯টি প্রশ্ন উত্থাপন করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে হত্যাকাণ্ডের আসামিদের পক্ষে আদালতে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন রংপুর আইনজীবী সমিতির সদস্যরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১২) হত্যার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নাগরিক কমিটি
- 📌 নাগরিক কমিটি ঘটনার তদন্তে ১৯টি প্রশ্ন উত্থাপন করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে
- 📌 হত্যাকাণ্ডের আসামিদের পক্ষে আদালতে দাঁড়াবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছে রংপুর আইনজীবী সমিতি
- 📌 ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছে, তা নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি হয়েছে
- 📌 চারজনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ
📰 বিস্তারিত
রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি জানিয়েছে, গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুকতা প্রকাশ করেছে। তারা বলেন, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে যে বিবরণ দিয়েছে, তা জনমনে প্রশ্ন ও সংশয় সৃষ্টি করেছে।
নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব পলাশ কান্তি নাগ বলেন, পুলিশের বর্ণনার সঙ্গে নিহতদের স্বজনদের বক্তব্য, ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা এবং ফরেনসিক কর্মকর্তাদের বিবরণের মধ্যে অসংগতি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ার কারণে একটি পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এছাড়া ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, বিদ্যুতের তার কাটা, অচেনা মোটরসাইকেলের আনাগোনা এবং লুট হওয়া টাকা ও স্বর্ণালংকারের হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে নাগরিক কমিটি। তারা জানতে চেয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের আগে নিহত পরিবারের সদস্যদের কোনো হুমকি বা আশঙ্কা ছিল কি না।
এদিকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামির পক্ষে আদালতে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন রংপুর আইনজীবী সমিতির সদস্যরা। তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেও আসামিদের পক্ষে আইনজীবী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।
"শুধু আসামিদের স্বীকারোক্তির ওপর নির্ভর করে তদন্ত শেষ করা উচিত নয়। সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক আলামত, মুঠোফোনের তথ্য ও প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যের সঙ্গে পুলিশের বর্ণনা মিলিয়ে দেখতে হবে। পুলিশের বর্ণনার অসংগতিগুলো দূর করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া
- 👥 ব্যক্তি: গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫), আয়ুশ চক্রবর্তী (১২)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯টি প্রশ্ন, ৪ জন নিহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!