📌 রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ ও তথ্য যাচাইয়ের জন্য দুই দিন তিন ঘণ্টা করে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক রফিকুল ইসলাম দুই দিন তিন ঘণ্টা করে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরে চার সদস্যের পরিবার হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত
- 📌 দুই দিন তিন ঘণ্টা করে মোট ছয় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে আসামিদের
- 📌 নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ ও তথ্য যাচাইয়ের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল
- 📌 হত্যাকাণ্ডের সময় আসামিদের মাদকাসক্ত ছিলেন কি না তা যাচাই করতে তাঁদের ডোপ টেস্ট করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তদন্তে আরও কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এই তথ্যগুলো ক্রসচেক ও যাচাই করার জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। তবে আদালত জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘আগামী তিন দিনের মধ্যে যেকোনো দুই দিন তিন ঘণ্টা করে আসামিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে।’
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ আগস্ট রাতে মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়িতে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা দেবী, ছেলে ও মেয়েকে হত্যা করা হয়। পরদিন তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের সময় আসামিরা মাদকাসক্ত ছিলেন কি না তা যাচাই করতে তাঁদের ডোপ টেস্ট করা হয়। গতকাল রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে তাঁদের প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় ইয়াবা বা মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার প্রায় নয় দিন পর নমুনা সংগ্রহ করায় এই ফল দিয়ে হত্যার সময় তাঁরা মাদকাসক্ত ছিলেন কি না তা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ ও চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
‘১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তদন্তে আরও কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য ক্রসচেক ও যাচাই করার জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। তবে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তাঁদের রিমান্ডে নেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ ও নতুন তথ্য বিবেচনায় আদালত জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর মহানগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিদ্ধার্থ দাস, মুগ্ধ দাস, গণপতি চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (নিহত), ২ (আসামি), ২১ (আগস্ট), ১৬৪ (ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!