📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের ১০ কিলোমিটার অংশে শতবার সংস্কারেও স্থায়ী সমাধান না, দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের ১০ কিলোমিটার অংশে শতবার সংস্কারেও স্থায়ী সমাধান না, দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাগলাপীর থেকে মেডিকেল মোড় পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার অংশে গত তিন বছরে শতাধিক বার সংস্কার করা হলেও স্থায়ী সমাধান না পেয়ে সড়কটি আরও বেহাল হয়ে পড়েছে। বাসিন্দা ও যানচালকদের অভিযোগ, জোড়াতালি ও ইট দিয়ে ভরাট করার ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, পুরাতন সড়কের স্থায়িত্ব নষ্ট হয়ে গেছে এবং পূর্ণ পুনর্নির্মাণ দরকার।

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাগলাপীর থেকে মেডিকেল মোড় পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশে গত তিন বছরে শতাধিক বার সংস্কার করা হলেও সড়কটি স্থায়ীভাবে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সড়কের এই অংশে বারবার গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে এবং জোড়াতালি ও ইট দিয়ে ভরাট করার ফলে সড়ক আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও যানচালকদের অভিযোগ, সড়কটির অবস্থা এখনও গ্রামের কাঁচা রাস্তার চেয়ে খারাপ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের ১০ কিলোমিটার অংশে গত তিন বছরে ১০০ বারও বেশি সংস্কার করা হলেও স্থায়ী সমাধান না পেয়ে সড়কটি আরও বেহাল হয়ে পড়েছে
  • 📌 সড়কের ১০ থেকে ৩০ ফুট দীর্ঘ অংশে ইট দিয়ে সলিং করার ফলে চারপাশে আরও গর্ত সৃষ্টি হয়েছে
  • 📌 বাসিন্দা ও যানচালকদের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারের ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে এবং গত দুই মাসে অন্তত ১০ বার গর্ত ভরাট করা হয়েছে
  • 📌 সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, সড়কটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে এবং পূর্ণ পুনর্নির্মাণ দরকার
  • 📌 ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৭ কিলোমিটার সংস্কারের কাজে ২৬ কোটি টাকার বাজেটে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে

📰 বিস্তারিত

সরেজমিনে দেখা গেছে, রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাগলাপীর থেকে মেডিকেল মোড় পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশে বারবার গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। সড়ক সংস্কারের সময় পিচ উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এবং গর্ত ভরাট করতে ইটের খোয়া ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও যানচালকদের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারের ফলে গতিপথ পরিবর্তন করতে হয় এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

শাপলা পরিবহনের চালক সোনা মিয়া বলেছেন, ‘প্রায় তিন বছর ধরে এই সড়ক বেহাল। গত বছর কার্পেটিং তুলে পিচ পাথর দিয়ে মেরামত করা হলেও বছর না ঘুরতে আবার গর্ত তৈরি হয়েছে। এর থেকে গ্রামের কাঁচা রাস্তা ভালো।’ কেল্লাবন্দ এলাকার বাসিন্দা নওশাদ আলী বলেছেন, ‘মেডিকেল মোড় থেকে সিও বাজার উত্তম এলাকা পর্যন্ত দুই কিলোমিটার দীর্ঘ অংশে গত বছর সংস্কার করা অংশেই ৫০টির বেশি জায়গায় ইট দিয়ে সলিং করা হয়েছে। এতে সলিংয়ের আশপাশে আরও বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।’

ট্রাকচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, ‘বছরে ছয় মাস গর্ত ভরাটের কাজ চলে, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান নেই। এক জায়গার গর্ত ভরাট করা হয়, কিছুদিন পর আবার সেখানে গর্ত হয়। এখন ইট দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে।’ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘এটা অনেক পুরাতন রাস্তা। এটার স্থায়িত্ব নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা এটা নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং পূর্ণ পুনর্নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।’

"অনেক আগেই সড়ক নষ্ট হয়ে গেছে। তিন বছরে না হলেও ১০০ বার গর্তগুলো ভরাট করা হয়। কিন্তু সেগুলো টেকসই হচ্ছে না। একটু বৃষ্টি হলেই ভারী যানবাহনের চাপে প্রতিনিয়ত গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে।"

২০২৪-২৫ অর্থবছরে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের ১৭ কিলোমিটার সংস্কারের কাজে ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকার বাজেটে রাজশাহীর ডন এন্টারপ্রাইজের সাথে চুক্তি হয়েছিল। তবে সংস্কার শেষ হওয়ার আগেই সড়কের কার্পেটিং উঠে গর্ত তৈরি হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, সংস্কার শেষ হওয়ার আগেই সেনাবাহিনীর টহলরত দল প্রতি বর্গমিটারে ৫ কেজি পাথর কম দেওয়ার বিষয়টি শনাক্ত করেছে। এতে প্রায় ৩৬৫ টন পাথর কম ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক (পাগলাপীর থেকে মেডিকেল মোড় পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তিবর্গ: সোনা মিয়া (চালক), নওশাদ আলী (বাসিন্দা), মোস্তাফিজুর রহমান (ট্রাকচালক), মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ (সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কিলোমিটার (সড়কের দৈর্ঘ্য), ১০০ বার (সংশ্কার), ১০ থেকে ৩০ ফুট (ইটের সলিং), ৫০টি (গর্ত), ৬ মাস (গর্ত ভরাটের কাজ), ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা (বাজেট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖