📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র: ২৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পে শুরু হবে ২০২৬ সালের জুলাই

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র: ২৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পে শুরু হবে ২০২৬ সালের জুলাই

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাগেরহাটের রামপালে নির্মিত হবে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র। ২৫০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে ৬৮৫ একর জমি ব্যবহার করা হবে এবং ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইনুল কবির বলেছেন, প্রকল্পটি পরিবেশবান্ধব হলেও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ রয়েছে

বাগেরহাটের রামপালে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে একটি মাইলফলক ঘটবে। ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিশাল সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হবে ২০২৬ সালের জুলাই। এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫০২৩৯.৫৯ লাখ টাকা, যার মধ্যে ২১২৭০৩.৬৫ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে এবং বাকি ৩৭৫৩৫.৯৪ লাখ টাকা নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র** নির্মিত হবে বাগেরহাটের রামপালে, যা বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে একটি বড় পদক্ষেপ।
  • 📌 **৬৮৫ একর জমি** ব্যবহার করে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে, যা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) মালিকানাধীন।
  • 📌 **২৫০২৩৯.৫৯ লাখ টাকা** ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে, যার মধ্যে ২১২৭০৩.৬৫ লাখ টাকা ঋণ এবং ৩৭৫৩৫.৯৪ লাখ টাকা নিজস্ব অর্থায়ন।
  • 📌 **২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর** পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • 📌 **কার্বন নিঃসরণ শূন্য** এই প্রকল্পটি সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
  • 📌 **ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাইনুল কবির** বলেছেন, প্রকল্পটি জীবাশ্ম জ্বালানির নির্ভরতা কমিয়ে আনে, কিন্তু বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাগেরহাটের রামপালে নির্মিত হবে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র। এই প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায়। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) এই প্রকল্পের মালিক। প্রকল্পের মোট ব্যয় ২৫০২৩৯.৫৯ লাখ টাকা, যার মধ্যে ২১২৭০৩.৬৫ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে এবং বাকি ৩৭৫৩৫.৯৪ লাখ টাকা নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

এসএম মাইনুল কবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, বলেছেন, এই প্রকল্পটি পরিবেশবান্ধব এবং জীবাশ্ম জ্বালানির নির্ভরতা কমিয়ে আনে। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রকল্পটি কার্বন নিঃসরণ শূন্য হওয়ায় সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে তিনি বলেছেন, প্রকল্পের বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যেমন বাংলাদেশের আবহাওয়া, জমির ব্যবহার, পরিবেশগত প্রভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা।

অধ্যাপক মাইনুল কবির আরও বলেছেন, প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রকৌশল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন, প্রকল্পের মোট ব্যয়, বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ এবং দীর্ঘ মেয়াদে জনগণের ওপর এর অর্থনৈতিক প্রভাব জনসম্মুখে পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করা উচিত।

"প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পাশাপাশি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, পরিবেশ সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক দক্ষতা নিশ্চিত করাও জরুরি। শুধু বড় প্রকল্প নয়, দরকার সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই বিদ্যুৎ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা, ব্লক-বি এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এসএম মাইনুল কবির (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪২ মেগাওয়াট (সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষমতা), ৬৮৫ একর (জমির পরিমাণ), ২৫০২৩৯.৫৯ লাখ টাকা (মোট ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖