📌 ঢাকার উত্তরে জেসিআই বাংলাদেশ ও লাক্স বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘স্যুক-এ-রমাদান ২০২৬’ মেলায় দুই দিনে ১৫ হাজার দর্শনার্থী অংশ নেন। মেলায় ১৫০টি স্টলসহ আধুনিক ফ্যাশন, ইফতার খাবার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
ঢাকার উত্তরে রমজানের ঐতিহ্য ও আধুনিক উদ্যোক্তা চেতনার সংমিশ্রণে গত ১৩ ও ১৪ মার্চ সফলভাবে সম্পন্ন হয় ‘স্যুক-এ-রমাদান ২০২৬’ প্রদর্শনী। জেসিআই বাংলাদেশ ও লাক্স বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে উত্তরার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই দুই দিনব্যাপী মেলায় প্রায় ১৫ হাজার দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। স্কাইবাই প্রেজেন্টসের সহযোগিতায় আয়োজিত এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তরুণ নেতা, পেশাজীবী ও উদ্যোক্তা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৫ হাজার দর্শনার্থী** অংশ নেন মেলায়, যা রমজানের ঐতিহ্য ও আধুনিক ব্যবসার সমন্বয় প্রদর্শন করে
- 📌 **১৫০টি স্টল** অংশ নেয়, যেখানে ফ্যাশন, হাতে তৈরি গয়না, প্রসাধনী ও ইফতার খাবারের সমাহার ছিল
- 📌 **নারী ও শিশুদের জন্য** মেহেদি কর্নার, ম্যাজিক শো ও পাপেট শো আয়োজন করা হয়
- 📌 **প্রযুক্তি প্রেমীদের জন্য** ভিআর গেমসের এক্সপেরিয়েন্স জোন ছিল মেলার অন্যতম আকর্ষণ
- 📌 **জেসিআই বাংলাদেশের সদস্যদের জন্য** বিশেষ ইফতার ও সেহরি মাহফিলের আয়োজন করা হয়
📰 বিস্তারিত
মেলার মূল আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী রমজান সংস্কৃতির প্রতিফলন। দর্শকদের মুগ্ধ করতে আয়োজনে ছিল হৃদয়ছোঁয়া কাওয়ালি গান এবং বাঁশির সুর। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য মেহেদি কর্নার, ম্যাজিক শো এবং পাপেট শো আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণদের জন্য ভিআর (VR) গেমসের এক্সপেরিয়েন্স জোন মেলায় এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে বর্ণিল আলোকসজ্জা আর কেনাকাটার ব্যস্ততায় পুরো এলাকাটি যেন ঈদের আগের এক প্রাণবন্ত রাতের বাজারে পরিণত হয়।
অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এই উৎসবের মৌসুমে ব্যাপক গ্রাহক সংযোগ এবং অভাবনীয় বিক্রির সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে এই আয়োজন। প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের পাশাপাশি নতুন ও উদীয়মান নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এই প্রদর্শনীটি এক শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। দর্শনার্থীদের মতে, এই আয়োজনটি বাংলাদেশের বর্তমান তারুণ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি।
জেসিআই বাংলাদেশ ও লাক্স বাংলাদেশের এই সমন্বিত উদ্যোগ স্থানীয় ব্যবসার বিকাশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উদযাপনে অনন্য ভূমিকা রেখেছে। দর্শনার্থী ও অংশীদারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া প্রমাণ করে যে, ‘স্যুক-এ-রমাদান’ আগামী দিনে ঢাকার একটি অন্যতম প্রতীক্ষিত বার্ষিক উৎসবে পরিণত হতে যাচ্ছে।
"এই আয়োজনটি বাংলাদেশের বর্তমান তারুণ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতেরই এক প্রতিচ্ছবি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দর্শনার্থী, ব্যবসায়ীরা, নারী উদ্যোক্তারা, তরুণ নেতা ও পেশাজীবীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার দর্শনার্থী, ১৫০টি স্টল, ১৩ ও ১৪ মার্চ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!