📌 রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিধিমালা প্রণয়নের কাজ করছে। সেমিনারে চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম বলেন, দ্রুত নগরায়ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কারণে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ছে
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে তাদের কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিধিমালা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করছে। এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম। তিনি আজ মঙ্গলবার ঢাকার গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নগর ভবনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে ভূমিকম্প সহনশীলতা: বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা, সুশাসন ও বাস্তবায়ন রূপরেখা’ শীর্ষক সেমিনারে অংশগ্রহণ করে এই কথা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজউক ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিধিমালা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করছে বলে জানান চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম।
- 📌 সেমিনারে বলা হয়, দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যার ঘনত্ব, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও নির্মাণবিধির যথাযথ প্রয়োগের ঘাটতির কারণে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ছে।
- 📌 অধ্যাপক মেহেদী আনসারী ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব সুনির্দিষ্টকরণ ও কার্যকর সমন্বয়ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানান।
- 📌 ফখরুজ জামান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেন্সরভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভূমিকম্পের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণের প্ল্যাটফর্মের ধারণা উপস্থাপন করেন।
- 📌 সেমিনারে অংশ নেন ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, রাজউক, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও স্বাস্থ্য খাতের প্রতিনিধিরা।
📰 বিস্তারিত
বুয়েট-৮৮ ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি জোরদার করার প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ছে যা দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণ, নির্মাণবিধির যথাযথ প্রয়োগের ঘাটতি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতির সীমাবদ্ধতার কারণে ঘটছে।
সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক মেহেদী আনসারী। তিনি ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব সুনির্দিষ্টকরণ, কার্যকর সমন্বয়ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ভবন নির্মাণসংক্রান্ত বিধিবিধানের প্রয়োগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, নগরাঞ্চলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন।
বুয়েট-৮৮ ক্লাবের সভাপতি প্রকৌশলী রাফেজ আলম চৌধুরী স্বাগত বক্তব্যে বলেন, তাদের ক্লাব বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করে আসছে। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় এবং জাতীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত সমাধান খুঁজে বের করা।
সেমিনারে ফখরুজ জামান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেন্সরভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভূমিকম্পের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণের একটি প্ল্যাটফর্মের ধারণা উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেন্সর স্থাপনের মাধ্যমে ভূমিকম্পের প্রাথমিক শনাক্তকরণ, পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক ধারণা পাওয়া এবং জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সম্ভাব্য সময় নিরূপণে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।
"বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্ব এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কারণে এই ঝুঁকি আরও বেড়ে যাচ্ছে। সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি জোরদার করার প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (গুলশান, ডিএনসিসি নগর ভবন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম, অধ্যাপক মেহেদী আনসারী, প্রকৌশলী রাফেজ আলম চৌধুরী, ফখরুজ জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৮ (বুয়েট-৮৮ ক্লাব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!