📌 রাজশাহীতে রেশম শিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবিতে জাতীয় রেশম শিল্প পর্যবেক্ষণ ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা সরকারের উদাসীনতার ওপর সমালোচনা করে রেশম কারখানার আধুনিকায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবি জানান
রাজশাহীতে রেশম শিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবিতে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় রেশম শিল্প পর্যবেক্ষণ ফোরামের উদ্যোগে এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে রাজশাহীর বিভিন্ন পেশাজীবী, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা ও সামাজিক কর্মী। বক্তারা রেশম শিল্পকে তৃণমূল পর্যায়ে কর্মসংস্থানের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানান এবং সরকারের উদাসীনতার ওপর সমালোচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০ সেপ্টেম্বর রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে জাতীয় রেশম শিল্প পর্যবেক্ষণ ফোরামের উদ্যোগে রেশম শিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 বক্তারা দাবি করেন, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের রেশম শিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং তৃণমূল পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
- 📌 রেশম শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে নারী ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়।
- 📌 সরকারি রেশম কারখানার আধুনিকায়ন ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, বর্তমানে শিল্পটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
- 📌 রেশমপণ্যের প্রচার ও বিপণন কার্যক্রম বাড়ানোর এবং দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন উৎসবে দেশীয় রেশমপণ্য ব্যবহারের দাবি জানানো হয়।
- 📌 বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পুনর্গঠন ও কার্যকর করার দাবি জানানো হয়।
- 📌 রাজশাহীর রেশম কারখানার জমি ও সম্পদ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
📰 বিস্তারিত
রেশম শিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবিতে রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, প্রাচীনকাল থেকেই রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেশম শিল্পের জন্য বিখ্যাত। রেশম শিল্পের সঙ্গে তুঁত চাষ, পলু পালন, রেশম গুটি ও সুতা উৎপাদন, তাঁত বয়ন, রং ও ছাপার কাজসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মসংস্থান জড়িত। বিশেষ করে তৃণমূলের নারী ও পরিবারগুলো এ শিল্পের বিভিন্ন ধাপে যুক্ত হয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমানে সরকারি রেশম শিল্পের বিকাশ ও সম্প্রসারণে অবহেলা ও উদাসীনতা রয়েছে। স্থানীয় নার্সারিগুলোর যথাযথ পরিচর্যা হচ্ছে না এবং পলু পালনের পরিমাণও কমেছে। রাজশাহীতে অবস্থিত সরকারি রেশম কারখানাটি আধুনিকায়নের পরও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু না হওয়ায় শিল্পটি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সীমিত পরিসরে শতভাগ রেশম বস্ত্র উৎপাদন হলেও এর প্রচার ও বিপণন কার্যক্রম পর্যাপ্ত নয়। বক্তারা দাবি করেন, রাজশাহী রেশম কারখানার বিক্রয়কেন্দ্রের কার্যক্রম আরও জোরদার করে দেশব্যাপী রেশমপণ্যের প্রচার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন উৎসব ও সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে উপহার হিসেবে দেশীয় রেশমপণ্য ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে রেশম শিল্পকে তৃণমূলের নারী ও নিম্নআয়ের পরিবারের কর্মসংস্থানের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে সব সেরিকালচার নার্সারিতে পলু পালন, গুটি উৎপাদন এবং রেশম সুতা উৎপাদনের কার্যক্রম চালুর আহ্বান জানানো হয়।
"রেশম শিল্পের উন্নয়নে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডকে পুনর্গঠন ও কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি রাজশাহীর রেশম কারখানার জমি ও সম্পদ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান খান আলম, সাংবাদিক রাশেদ রিপন, কল্পনা রায়, আফজাল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, হাসান মিল্লাত, সোহেল মাহাবুব, আনোয়ারুল ইসলাম, তৈয়বুর রহমান, সাগর কুমার সিং, কে এম ইয়াসিন আলী, রফিক আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেপ্টেম্বর, ০২:৫৩ পিএম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!