📌 রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ঘোষণা করেছেন, রাজশাহীর সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে কিছু এলাকার ফুটপাত মুক্ত করা হয়েছে, তবে বাকি এলাকায় কাজ চলছে
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ঘোষণা করেছেন, রাজশাহীর সব ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, নগরবাসীদের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহীর সব ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।
- 📌 ইতিমধ্যে ভদ্রা মহিলা কলেজ সড়ক ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে।
- 📌 লক্ষ্মীপুর, জিরো পয়েন্ট, সোনাদীঘি মোড়, রেলগেট ও গণকপাড়াসহ নগরের অন্যান্য এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
- 📌 হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্য সাহেববাজার এলাকার অবহেলিত দোকান ও মার্কেটের দ্বিতীয় তলা পর্যালোচনা করা হবে।
- 📌 সাহেববাজার কাঁচাবাজার ও মাছপট্টির দ্বিতীয় তলায় ৮৯টি অবহেলিত দোকান রয়েছে, যেগুলো পুনর্বাসনের জন্য ব্যবহারযোগ্য করা হবে।
- 📌 প্রশাসক বলেছেন, বাধা ও হুমকি-ধমকি সত্ত্বেও তিনি রাজশাহীকে সুশৃঙ্খল করে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
রোববার (২৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন সাহেববাজার এলাকায় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। তিনি জানান, ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ইতিমধ্যে ভদ্রা মহিলা কলেজ সড়ক ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের একাংশের ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। তবে লক্ষ্মীপুর, জিরো পয়েন্ট, সোনাদীঘি মোড়, রেলগেট ও গণকপাড়াসহ নগরের বিভিন্ন এলাকায় এখনো ফুটপাত দখল হয়ে আছে। এসব ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রশাসক বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম চলাকালীন বাধা ও হুমকি-ধমকি পেয়েছেন। কিন্তু তিনি বলেন, জীবন থাকা পর্যন্ত রাজশাহীকে সুশৃঙ্খলভাবে গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাবেন। তিনি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নগরীকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, দখলমুক্ত, বাসযোগ্য, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ করে গড়ে তুলতে চান।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক সাহেববাজার কাঁচাবাজার, মাছপট্টি, মাংসপট্টি, কসাইখানা এবং মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় থাকা পরিত্যক্ত দোকানগুলো পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, সাহেববাজার কাঁচাবাজার ও মাছপট্টির দ্বিতীয় তলায় ৮৯টি দোকান অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। এসব দোকান ও স্থানের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে সেগুলো ব্যবহার উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
"জীবন থাকা পর্যন্ত রাজশাহীকে সুশৃঙ্খলভাবে গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাবেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী সিটি করপোরেশন, সাহেববাজার, ভদ্রা মহিলা কলেজ সড়ক, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহফুজুর রহমান রিটন (রাসিক প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর, ১১ টা, ৮৯টি দোকান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!