📌 রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ঐতিহ্যবাহী ঢোপকল পুনরুজ্জীবিত করেছে। ১৯৩০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত এই পানির ব্যবস্থা অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে একটি ঢোপকল পুনঃস্থাপিত হয়েছে। স্থানীয়রা আরও সংরক্ষণ চায়
রাজশাহীর ঐতিহাসিক ঢোপকল ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে সিটি কর্পোরেশন। অবহেলা ও নগরায়ণের কারণে হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্যবাহী পানির ব্যবস্থা ১৯৩০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। স্থানীয়দের দাবি, অবশিষ্ট সব ঢোপকল সংরক্ষণে আরও কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৩০-এর দশকে রাজশাহী পৌরসভার চেয়ারম্যান রায় ডি. এন. দাশগুপ্তের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ঢোপকল ব্যবস্থা
- 📌 মহারাণী হেমন্ত কুমারী ৬৫ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন, যার নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল 'মহারাণী হেমন্ত কুমারী ওয়াটার ওয়ার্কস'
- 📌 অবহেলা ও নগরায়ণের কারণে অনেক ঢোপকল হারিয়ে গিয়েছে, কিন্তু সিটি কর্পোরেশন একটি ঢোপকল পুনঃস্থাপন করেছে
- 📌 স্থানীয়রা আরও ঢোপকল সংরক্ষণের দাবি তুলেছেন
📰 বিস্তারিত
১৯৩০-এর দশকে রাজশাহীতে সুপেয় পানির ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। রাজশাহী পৌরসভার চেয়ারম্যান রায় ডি. এন. দাশগুপ্তের নেতৃত্বে এই প্রকল্পে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতা ছিল। মহারাণী হেমন্ত কুমারী এই প্রকল্পে ৬৫ হাজার টাকা অনুদান দেন, যা সে সময়ের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্থ। তার নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল 'মহারাণী হেমন্ত কুমারী ওয়াটার ওয়ার্কস'।
সময়ের সাথে সাথে ঢোপকল ব্যবস্থার ব্যবহার কমতে কমতে প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। অবহেলা ও নগরায়ণের কারণে অনেক ঢোপকল হারিয়ে গিয়েছে। তবে সিটি কর্পোরেশন উদ্যোগ নিচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী পানির ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য। নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরতে নগরের দড়িখরবোনা রেলক্রসিং মোড়ে একটি ঢোপকল পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।
স্থানীয়রা আরও দাবি করেছেন যে, অবশিষ্ট সব ঢোপকল সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। প্রতিবেদকের তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী পানির ব্যবস্থা সংরক্ষণ ও পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলছে।
"অবহেলা আর নগরায়ণের কারণে অনেক ঢোপকল হারিয়ে গেলেও রাজশাহীর এই ঐতিহ্য সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী, দড়িখরবোনা রেলক্রসিং
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহারাণী হেমন্ত কুমারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ হাজার টাকা (অনুদান), ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!