📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ধ্বংসের পরও টিকা দিতে এসেছিলেন চার প্রজন্মের মা-মেয়ে: ‘কষ্ট লাগে দেখতে’

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ধ্বংসের পরও টিকা দিতে এসেছিলেন চার প্রজন্মের মা-মেয়ে: ‘কষ্ট লাগে দেখতে’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও ধ্বংসের পরও ফেরদৌসী ও তার মেয়ে ফারজানা ১৩ দিনের নাতনির টিকা দিতে এসেছিলেন। চার প্রজন্মের স্মৃতি জড়িয়ে থাকা এই কেন্দ্রের ধ্বংস দেখে তাদের কষ্ট লাগছে

মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ধ্বংসাবশেষে দাঁড়িয়ে ফেরদৌসী বেগমের মুখে কষ্টের ছাপ। চার প্রজন্মের স্মৃতি জড়িয়ে থাকা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও ধ্বংসের পরও তাঁর মেয়ে ফারজানা আক্তার ও নাতনি আফরিনের টিকা দিতে এসেছিলেন। ১৩ দিন বয়সী আফরিনের কোলে দাঁড়িয়ে ফেরদৌসী বলেছিলেন, ‘কত বছর ধরে এনে এসেছি এই জায়গায়, এখন দেখলে কষ্ট লাগে।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলায় দুই নিরাপত্তাকর্মী জিম্মি, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও টিকা লুট করা হয়; ভবন ধ্বংস
  • 📌 ফেরদৌসী বেগম ও তার মেয়ে ফারজানা আক্তার ১৩ দিনের নাতনি আফরিনের টিকা দিতে এসেছিলেন ধ্বংসস্তূপে
  • 📌 চার প্রজন্মের স্মৃতি জড়িয়ে থাকা এই কেন্দ্রের ধ্বংস দেখে তাদের কষ্ট লাগছে
  • 📌 হামলার পরও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মকর্তারা টিকা দান অব্যাহত রেখেছেন

📰 বিস্তারিত

মিরপুর-১ নম্বরের উত্তর বিশিল এলাকায় বসবাসকারী ফেরদৌসী বেগমের পরিবারের সঙ্গে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সম্পর্ক চার প্রজন্মের। তাঁর মা রাবেয়া বেগম এখানে গর্ভকালীন সেবা নিয়েছিলেন। ফেরদৌসী নিজেও সন্তান জন্মের আগে ও পরে এই কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। তারপর মেয়ে ফারজানা আক্তারের গর্ভকালীন ও প্রসূতি পরিষেবাও এখানেই পেয়েছিলেন। এবার গতকাল বুধবার দুপুরে ফারজানার ১৩ দিনের সন্তান আফরিনের টিকা দিতে এসেছিলেন তাঁরা।

১৯৭৪ সাল থেকে মিরপুরের সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কাজ করা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে দুই নিরাপত্তাকর্মী জিম্মি করা হয়। পরে চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, টিকা ও অর্থসহ বিভিন্ন সামগ্রী লুট করা হয়। ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবন ধ্বংস করা হয়। হামলার পর ফেরদৌসী প্রথমবারের মতো গিয়েছিলেন ধ্বংসস্তূপে। তিনি বলেছিলেন, ‘কত বছর ধরে এনে এসেছি এই জায়গায়। সব ভেঙে গেছে। দেখলে খুব কষ্ট লাগে।’

ফেরদৌসীর স্বামী ফরিদ আহমেদ মিরপুরে আড়তের ব্যবসা করতেন, কিন্তু এখন কিছুটা অসুস্থ। পরিবারের তিন সন্তানের মধ্যে শুধু ফারজানার বিয়ে হয়েছে। ফারজানা বলেন, ‘বাবু পেটে আসার পর থেকেই আমি এখানে আসছি। ডাক্তার দেখানো, পরামর্শ নেওয়া—সবকিছু এই হাসপাতাল থেকেই করেছি। আজ মেয়েকেও টিকা দিতে নিয়ে আসছি।’

"হাসপাতালের এইরকম দশা, তাও তারা আমাদের সেবা দিচ্ছে, এইটা দেখে ভালো লাগে। এইটা বন্ধ হলে আমাদের মতো গরিব মানুষ কোথায় যাব?"

হামলার পরও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মকর্তারা টিকা দান অব্যাহত রেখেছেন। ভাঙা ভবনের মধ্যেই গতকাল আফরিনকে টিকা দেওয়া হয়েছিল। ফেরদৌসী বলেন, ‘এই সেবা বন্ধ হলে আমাদের মতো গরিব মানুষের কি হবে?’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর-১ নম্বরের উত্তর বিশিল, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফেরদৌসী বেগম, ফারজানা আক্তার, আফরিন (১৩ দিন বয়সী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ দিন (আফরিনের বয়স), ২ (জিম্মি নিরাপত্তাকর্মী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖