📌 মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও সেখানে রোগীদের জন্য টিকা ও স্বাস্থ্য সেবা চলছে ধ্বংসস্তূপের পাশেই। গত রোববার ৩৭ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়, আর ১৫ জনেরও চিকিৎসা করা হয়। ধ্বংসযজ্ঞের পর সেবা বন্ধ থাকায় রোগীরা সরকারের কাছে পুনরায় সেবা চালুর দাবি জানাচ্ছেন।
মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও সেখানে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা চলছে ধ্বংসস্তূপের পাশেই। ধ্বংসযজ্ঞের পরেও কর্মীরা রোগীদের সেবা প্রদানের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে এই কেন্দ্র থেকে ৩৭ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়। এছাড়াও অন্তত ১৫ জন রোগীকে অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়। আজ প্রায় অর্ধশত মানুষ এই কেন্দ্র থেকে সেবা পেয়েছেন। তবে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে — রোগীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে সড়কের ওপরেই, যেখানে ধ্বংসস্তূপের সামনে অবস্থিত কেন্দ্রের ভবন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মিরপুরের রাড্ডা সেন্টার ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও** সেখানে রোগীদের জন্য টিকা ও স্বাস্থ্য সেবা চলছে ধ্বংসস্তূপের পাশেই।
- 📌 **গত রোববার ৩৭ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়** এবং ১৫ জনেরও চিকিৎসা করা হয়, মোট রোগী সংখ্যা প্রায় ৫০।
- 📌 **ধ্বংসযজ্ঞের পর সেবা বন্ধ থাকায়** রোগীরা সরকারের কাছে পুনরায় সেবা চালুর দাবি জানাচ্ছেন।
- 📌 **গত বৃহস্পতিবার রাতে** নিরাপত্তাকর্মীদের বেঁধে রেখে লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়, যেখানে মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও ওষুধ লুট করা হয়।
- 📌 **প্যারামেডিক ফারজানা** বলেছেন, আগে শিশুদের কার্ড পূরণ, ওজন ও উচ্চতা মাপা এবং পুষ্টি পরামর্শ দেওয়া হতো। কিন্তু এখন সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
📰 বিস্তারিত
মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ধ্বংসপ্রাপ্ত হলেও সেখানে রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা চলছে। সেবা দেওয়া হচ্ছে ধ্বংসস্তূপের সামনে সড়কের ওপরেই। এই কেন্দ্রে আগে মা ও শিশুদের বিভিন্ন সেবা দেওয়া হতো, যেমন: গর্ভবতী নারীদের কম খরচে আল্ট্রাসনোগ্রাম, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা। কিন্তু ধ্বংসযজ্ঞের পর এসব সেবা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে অনেক রোগী সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
সেবা নিতে আসা রোগীরা সরকারের কাছে দ্রুত সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন। মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমাদের মতো গরিব মানুষেরা এখন কোথায় যাবে?’ তিনি ধ্বংসযজ্ঞ দেখতে আসা মানুষের ভিড় দেখে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন। রোগীরা পুনরায় সেবা চালুর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
প্যারামেডিক ফারজানা বলেন, আগে শিশুদের কার্ড পূরণ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করিয়ে টিকা দেওয়া হতো। তাদের ওজন ও উচ্চতা মাপার পাশাপাশি পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শও দেওয়া হতো। সন্তান জন্মের পর মায়েদের পুষ্টি পরামর্শ, পরিবার পরিকল্পনা ও প্রসব-পরবর্তী সেবাও দেওয়া হতো। কিন্তু এখন এসব সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
"আমাদের মতো গরিব মানুষেরা এখন কোথায় যাবে?" — মনোয়ারা বেগম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর-১, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনোয়ারা বেগম, প্যারামেডিক ফারজানা, রোগীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ শিশুকে টিকা দেওয়া, ১৫ জনের চিকিৎসা, ৫০+ রোগী সেবা পেয়েছেন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!