📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রবীন্দ্রনাথ ও নবাব সলিমউল্লাহ: শ্রেণি ও সংস্কৃতির সেতুতে বন্ধুত্বের গল্প

রবীন্দ্রনাথ ও নবাব সলিমউল্লাহ: শ্রেণি ও সংস্কৃতির সেতুতে বন্ধুত্বের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে বিপরীত দৃষ্টিভঙ্গি থাকা সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নবাব সলিমউল্লাহর মধ্যে ছিল শ্রেণি ও সংস্কৃতির সেতুতে গভীর বন্ধুত্ব। উনিশ শতকের ঢাকার নবাব পরিবার ও কলকাতার ঠাকুরবাড়ির মধ্যে সামাজিক সম্পর্কের এই গল্প প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি নিবন্ধ থেকে উদ্ধৃত

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে বিপরীত রাজনৈতিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নবাব সলিমউল্লাহর মধ্যে ছিল শ্রেণি ও সংস্কৃতির সেতুতে গভীর বন্ধুত্ব। প্রথম আলোর একটি ঐতিহাসিক নিবন্ধে উঠে এসেছে ঢাকার নবাব পরিবার ও কলকাতার ঠাকুরবাড়ির মধ্যে উনিশ শতকের সামাজিক সম্পর্কের এই অদ্ভুত গল্প।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮৯৮ সালে ঢাকায় বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসে অংশ নেওয়ার সময় রবীন্দ্রনাথ ঢাকার নবাব পরিবারের আতিথ্য গ্রহণ করেন, কিন্তু খাজা সলিমউল্লাহর সাথে তার সাক্ষাত হয়নি — সলিমউল্লাহ তখন ময়মনসিংহের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
  • 📌 উভয়েই তখন জনপ্রিয়তা অর্জন করেননি: রবীন্দ্রনাথ সাহিত্য জগতে খ্যাতি অর্জন করলেও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ততটা পরিচিত ছিলেন না; সলিমউল্লাহও সরকারি চাকুরি করতেন এবং সারা দেশে তার বিশেষ পরিচিতি ছিল না।
  • 📌 ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সময় রবীন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করে মিছিল ও বক্তৃতায় অংশ নেন, অন্যদিকে সলিমউল্লাহ বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলেন — কিন্তু উভয়েই পূর্ববঙ্গের মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
  • 📌 ১৯২৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঢাকাসহ পূর্ববঙ্গের সফরে আসেন এবং ঢাকার বিত্তশালী হিন্দু পরিবারের আতিথ্যে ছিলেন — সলিমউল্লাহের পরিবারও ঠাকুর পরিবারের সাথে ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কে আবদ্ধ।
  • 📌 উভয়েই ছিলেন জমিদার ও অভিজাত শ্রেণির প্রতিনিধি, কিন্তু সাংস্কৃতিকভাবে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন হিন্দু সংস্কৃতির প্রতীক, সলিমউল্লাহ মুসলিম সংস্কৃতির প্রতিনিধি — সত্ত্বেও তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল স্বাভাবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ।

📰 বিস্তারিত

উনিশ শতকের ঢাকার সামাজিক জগতে ঠাকুর পরিবার ও নবাব পরিবারের মধ্যে ছিল গভীর সম্পর্ক। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮১৭-১৯০৫) ও নবাব আহসানউল্লাহর (১৮৪৬-১৯০১) জীবদ্দশায় রবীন্দ্রনাথ ঢাকায় আসেন ১৮৯৮ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেসে যোগ দিতে। তখন তিনি নবাব পরিবারের আতিথ্যে ছিলেন, কিন্তু খাজা সলিমউল্লাহর (১৮৭১-১৯১৫) সাথে তার সাক্ষাত হয়নি। সলিমউল্লাহ তখন ময়মনসিংহের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং সারা দেশে তার বিশেষ পরিচিতি ছিল না।

তখন রবীন্দ্রনাথও ততটা জনপ্রিয় ছিলেন না — তিনি সাহিত্য জগতে খ্যাতি অর্জন করলেও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ততটা পরিচিত ছিলেন না। কংগ্রেসও তখন ছিল রাজা-মহারাজা, উকিল-ব্যারিস্টার ও বিত্তশালী শ্রেণির এক সংগঠন মাত্র। মুসলিম লীগের জন্মও হয়নি তখন। উচ্চ শ্রেণির মুসলমানরা কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সময় রবীন্দ্রনাথ ও সলিমউল্লাহ উভয়েই জনজীবনে বিশেষভাবে জড়িত হন। রবীন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করে মিছিল ও বক্তৃতায় অংশ নেন, গান গাইতেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’। অন্যদিকে সলিমউল্লাহ বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলেন। উভয়েই পূর্ববঙ্গের মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করলেও তাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য ছিল বিপরীত।

বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করে রবীন্দ্রনাথ তিন বছর আন্দোলনে জড়িত ছিলেন, পরে তিনি হিংসাত্মক রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন, কিন্তু বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা অব্যাহত রাখেন। সলিমউল্লাহ ও রবীন্দ্রনাথ উভয়েই ছিলেন জমিদার ও অভিজাত শ্রেণির প্রতিনিধি, কিন্তু সাংস্কৃতিকভাবে তারা ছিলেন দুই সংস্কৃতির প্রতিনিধি — হিন্দু ও মুসলিম। সত্ত্বেও তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল স্বাভাবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ।

"বাঙালিত্ব গেল" বলে ধনী হিন্দুদের মধ্যে যে ধ্বনি ওঠে, তার পেছনে কোনো যুক্তি ছিল না। কোনো এলাকা প্রশাসনিক সুবিধার জন্য যদি ভাগ করা যায়, তাহলে প্রদেশে ভাগ করলে অন্যায় কোথায়?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, কলকাতা, ময়মনসিংহ, পূর্ববঙ্গ, আসাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, খাজা সলিমউল্লাহ, নবাব আহসানউল্লাহ, মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৯৮ (বঙ্গীয় কংগ্রেস), ১৯০৫ (বঙ্গভঙ্গ), ১৯২৬ (রবীন্দ্রনাথের পূর্ববঙ্গ সফর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖