📌 বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি মাখানোর প্রতিবাদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ‘যে কবি জনতার’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে নাটক, সংগীত ও বক্তব্য পরিবেশিত হয়
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে অসম্মানজনক কালি মাখানোর ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ‘যে কবি জনতার’ আয়োজন করে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পাদদেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতির সামনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ অক্টোবর বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পাদদেশে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজন ‘যে কবি জনতার’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 উদীচীর সহসভাপতি শিবানী ভট্টাচার্য সভাপতিত্ব করেন এবং কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজমীর তারেক চৌধুরী সঞ্চালনা করেন
- 📌 উদীচীর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমাম বক্তব্য রাখেন এবং বলেন, রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্ম বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভিত্তি
- 📌 অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক ‘বিসর্জন’-এর অংশ মঞ্চস্থ করা হয় এবং সংগীত বিভাগের শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন
- 📌 প্রতিবাদে শিল্প, সাহিত্য, সংগীত ও নাটককে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে তুলে ধরে উদীচী
📰 বিস্তারিত
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে অসম্মানজনক কালি মাখানোর ঘটনা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিবেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ‘যে কবি জনতার’ শীর্ষক একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পাদদেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতির সামনে অনুষ্ঠিত হয়।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শুরু হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। উদীচীর সহসভাপতি শিবানী ভট্টাচার্য সভাপতিত্ব করেন এবং কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজমীর তারেক চৌধুরী সঞ্চালনা করেন। এরপর উদীচীর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমাম বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম বাঙালির সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তাঁর প্রতিকৃতিকে অসম্মান করার মধ্য দিয়ে যে বিদ্বেষ ও সংকীর্ণতার প্রকাশ ঘটেছে, তার জবাব দিতে হবে যুক্তি, মনন, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে।
অনুষ্ঠানে উদীচীর সংগীত বিভাগের শিল্পীরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান পরিবেশন করেন। নাটক বিভাগের শিল্পীরা তাঁর নাটক ‘বিসর্জন’-এর একটি অংশ মঞ্চস্থ করেন। এই সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্ম, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক চেতনাকে ধারণ করার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে শিল্প, সাহিত্য, সংগীত, নাটক ও কবিতাকে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে তুলে ধরে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।
"রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও সৃষ্টিকর্ম বাঙালির সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তাঁর প্রতিকৃতিকে অসম্মান করার মধ্য দিয়ে যে বিদ্বেষ ও সংকীর্ণতার প্রকাশ ঘটেছে, তার জবাব দিতে হবে যুক্তি, মনন, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিবানী ভট্টাচার্য, আজমীর তারেক চৌধুরী, সঙ্গীতা ইমাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ অক্টোবর, ৫ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!